রাজ্যের ডিজিপি পদমর্যাদার আইপিএস অফিসার (DGP-rank IPS Officer) ডঃ রামচন্দ্র রাও (Ramachandra Rao), যিনি বিদেশি সোনা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাওয়ের বাবা, তিনি সরকারি দফতরের (Official Chamber) ভিতরেই একাধিক নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আচরণে (Intimate Act) জড়িত ছিলেন।

রামচন্দ্র রাও ও রানিয়া রাও। ডানদিকে ভাইরাল ভিডিও থেকে কাটা ছবি।
শেষ আপডেট: 19 January 2026 18:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্নাটক পুলিশের (Karnataka Police) শীর্ষস্তরে বড়সড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের ডিজিপি পদমর্যাদার আইপিএস অফিসার (DGP-rank IPS Officer) ডঃ রামচন্দ্র রাও (Ramachandra Rao), যিনি বিদেশি সোনা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাওয়ের বাবা, তিনি সরকারি দফতরের (Official Chamber) ভিতরেই একাধিক নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আচরণে (Intimate Act) জড়িত ছিলেন।
ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ডিউটির সময় (Duty Hours) আইপিএস উর্দি পরে (In Uniform) থাকা অবস্থায় রাও বিভিন্ন নারীর সঙ্গে আলিঙ্গন ও চুম্বনের (Hugging and Kissing) মতো ঘনিষ্ঠ আচরণ করছেন। ভিডিওগুলি গোপনে (Secret Recording) তাঁর অফিসের ভেতর থেকেই তোলা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, আলাদা আলাদা দিনে (Separate Occasions) বিভিন্ন নারী দফতরে আসছেন এবং সেই সময়েই চলছিল তথাকথিত ‘অফিসিয়াল কাজ’ (Official Business)। যদিও কোথাও জোরজবরদস্তি বা যৌন হেনস্তার (Coercion or Harassment) অভিযোগ নেই, তবু উচ্চ নিরাপত্তা-যুক্ত সরকারি দফতরকে (High-security Government Office) ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করার বিষয়টি পেশাগত শৃঙ্খলার (Professional Discipline) চরম অবক্ষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার রেশ পৌঁছেছে কর্নাটক সরকারের (Karnataka Government) সর্বোচ্চ স্তরেও। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া (Siddaramaiah) বিষয়টি জানার পর এবং ভিডিও দেখার পরে ‘ভীষণ ক্ষুব্ধ’ (Furious) হয়েছেন। তিনি স্বরাষ্ট্র দফতরের (Home Department) কাছে অবিলম্বে ব্যাখ্যা তলব করেছেন—পুলিশ প্রশাসনের নজরের মধ্যেই এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা জানতে চেয়েছেন।
রামচন্দ্র রাও (Ramachandra Rao) বর্তমানে একটি সোনা পাচার মামলায় (Gold Smuggling Case) অভিযুক্ত। তিনি নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে দাবি করেছেন, ভাইরাল ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়ো (Fake) ও কারসাজির ফল (Morphed Video)। সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি বলেন, “এটি সাজানো ভিডিও। আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে।” তবে কে বা কারা এই তথাকথিত ষড়যন্ত্রের (Hit Job) পিছনে, সে বিষয়ে তিনি কোনও নির্দিষ্ট তথ্য দেননি।
বিরোধী দল (Opposition) ও সাধারণ মানুষের (Public Outcry) তীব্র চাপের মুখে এখন নজর রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের দিকে। ভিডিওটির ফরেনসিক পরীক্ষা (Forensic Examination) করে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত (Formal Inquiry) হবে কি না, কিংবা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই শীর্ষ আইপিএস অফিসারকে সাময়িক বরখাস্ত (Immediate Suspension) করা হবে— তা নিয়েই চলছে জল্পনা।