বর্ষার মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ধস, হড়পা বান ও বন্যায় কঙ্গনার সংসদীয় এলাকা দুর্গত।

কঙ্গনা রনৌত। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 4 July 2025 18:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হিমাচল প্রদেশের মান্ডির বিজেপি সাংসদ, অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত ফের খবরের শিরোনামে। বর্ষার মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ধস, হড়পা বান ও বন্যায় কঙ্গনার সংসদীয় এলাকা দুর্গত। কিন্তু, এলাকার এমপির এখনও সময় হয়নি, সেই দুর্গত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। আর তা নিয়েই বিজেপির ভিতরে-বাইরে কাঠগড়ায় কঙ্গনা রনৌত। ব্যাপক সমালোচনার মুখে শুক্রবার অভিনেত্রী-সাংসদ একটি এক্সবার্তায় তাঁর সমালোচক দলের প্রবীণ নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন।
কঙ্গনার মান্ডিতে না-যাওয়া নিয়ে দলীয় নেতার সমালোচনায় কংগ্রেস আরও একহাত বেড়ে খেলতে শুরু করেছে। কঙ্গনা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা তথা রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা জয়রাম ঠাকুর একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন, যাঁরা এসবের মূল্য বোঝে না, তাঁদের নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, আমি জানি না। এনিয়ে কোনও মন্তব্যও করতে চাই না।
হিমাচলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কঙ্গনা আজ, শুক্রবার। তাঁর দাবি, জয়রাম ঠাকুরই তাঁকে এই অবস্থায় এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কঙ্গনার কথায়, উনিই আমাকে বলেছিলেন যে, যতক্ষণ না রাস্তাঘাটের উন্নতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক হচ্ছে ততক্ষণ মান্ডিতে এসো না।
বার্তায় তিনি আরও লিখেছেন, প্রায় প্রতিবছরই হিমাচল বন্যাবিধ্বস্ত হচ্ছে এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমি সেরাজ (জয়রাম ঠাকুরের বিধানসভা এলাকা) সহ মান্ডির অন্যান্য জায়গায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু, শ্রদ্ধেয় জয়রাম ঠাকুরই আমাকে এই অবস্থায় সেখানে যেতে নিষেধ করেন। উনি বলেছিলেন, সড়ক যোগাযোগের উন্নতি ঘটলে আসতে। এখন আমি বলছি, যত শীঘ্র সম্ভব আমি সেখানে পৌঁছব।
কংগ্রেস এই ঘরোয়া ঝামেলায় ইন্ধন জুগিয়ে বলেছে, মান্ডি নিয়ে সাংসদের কোনও চিন্তা নেই। একথা আমরা বলছি না, বিজেপিই বলছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে হিমাচলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতা জয়রাম ঠাকুরই সক্রিয়ভাবে খাটাখাটনি করেছিলেন। এককথায় বলা যায়, তিনিই ছিলেন রনৌতের জেতার অন্যতম কারিগর।