রাজস্থানের অত্যন্ত বিখ্যাত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চরম গাফিলতি ধরা পড়েছে বিই (ব্যাচেলর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং) পরীক্ষার সেকেন্ড সেমেস্টারের রেজাল্টে।

চোখ কপালে উঠেছে পড়ুয়াদের এবং রেজাল্ট নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা।
শেষ আপডেট: 11 October 2025 12:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জোধপুরের এমবিএম ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ পুড়ল। রাজস্থানের অত্যন্ত বিখ্যাত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চরম গাফিলতি ধরা পড়েছে বিই (ব্যাচেলর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং) পরীক্ষার সেকেন্ড সেমেস্টারের রেজাল্টে। অস্বস্তির কারণ হল, ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় একাধিক পরীক্ষার্থী তার বেশি এমনকী ১২০ নম্বর পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। যা দেখে চোখ কপালে উঠেছে পড়ুয়াদের এবং রেজাল্ট নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা।
পরীক্ষার ফল প্রথমে বেরয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে। যা দেখে ছাত্রছাত্রীরা হতবাক হয়ে গিয়েছেন। অনেক পড়ুয়া এই ভুল চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। তাতেই বিশ্ববিদ্যালয় কোনও ব্যাখ্যা না দিয়েই ওয়েবসাইট থেকে রেজাল্টটি মুছে ফেলে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও টেকনিক্যাল দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষামহল।
পড়ুয়াদের কথায় জানা গিয়েছে, এমবিএম বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রথম গাফিলতি ধরা পড়েনি। এর আগেও প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে হেরাফেরি ঘটেছে। যেমন- রেজাল্ট বেরনোর পরেও নম্বর সংশোধিত করা হয়েছে, দেরি করে স্নাতক হওয়ার সার্টিফিকেট বিলি করা হয়েছে এবং ডেটায় ভুল বেরিয়েছে।
সূত্রে জানা গিয়েছে, এইসব কীর্তির সাম্প্রতিকতমটি হচ্ছে বিই-র সেকেন্ড সেমেস্টারের গ্রেড শিটের ভুলভ্রান্তি নিয়ে। যাতে ইন্টারনাল মার্কস ভুলভাবে আপলোড করা হয়েছে ইন্টারনাল বহির্ভূত মার্কসের সঙ্গে। এক ছাত্রের ক্ষোভ, এতেই বোঝা যায় প্রশাসন কীরকম অমনোযোগী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। ওয়েবসাইটে রেজাল্ট তোলার আগে কোনও নিরীক্ষণই করা হয়নি।
এই অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী পড়ুয়ারা প্রশাসনের কাছে সংশোধিত মার্কশিটের দাবি তুলেছেন। কারণ, সম্পূর্ণ ভুল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষেরই। প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য অজয় শর্মা ভুল হওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। ভুলবশত ইন্টারনাল মার্কস আপলোড করা হয়েছিল। পরীক্ষামূলকভাবে নিয়ামকরা যখন শেষ মুহূর্তে মিলিয়ে দেখছিলেন তখন ১৫-২০ মিনিটের জন্য তা ভুল করে আপলোড হয়ে যায়। সেটা বুঝতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই ওয়েবসাইট থেকে রেজাল্ট তুলে নেওয়া হয়। যে এজেন্সি এই কাজ করছিল, তাদের নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য। রাজ্য সরকার এই ঘটনার বাস্তব রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। যে মতো একটি রিপোর্ট রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠিয়েও দেওয়া হয়েছে।