
শেষ আপডেট: 5 February 2024 09:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝাড়খণ্ডে চম্পাই সরেনের নতুন মন্ত্রিসভাকে সোমবার আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে হবে। বেলা ১১'টায় আস্থা প্রস্তাব পেশ করবেন তিনি।
সংখ্যার হিসাবে ৪৭ বিধায়কের সমর্থন আছে সরকারের পাশে। রাজ্যপালের কাছে ৪৩ বিধায়ক চম্পাই সরকারকে সমর্থন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন। পরে সমর্থন জানিয়েছেন আরও চারজন।
৮১ আসনের বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য ৪১ বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন। আদালতের অনুমতি মেলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জেল বন্দি হেমন্ত সরেন ভোটাভুটিতে অংশ নিতে পারবেন।
গত ৩১ জানুয়ারি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট হেমন্তকে জমি কেলেঙ্কারির মামলায় গ্রেফতার করে। তার আগে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন। প্রবীণ বিধায়ক চম্পাইকে মুখ্যমন্ত্রী করে দল। হেমন্তের ভোটাভুটিতে হাজির থাকা শাসক জোটের জন্য বাড়তি সুবিধা সন্দেহ নেই।
তবু স্বস্তিতে নেই শাসক ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা এবং কংগ্রেসের জোট। বিজেপি ও সহযোগী দলগুলির সঙ্গে আছে ২৯ বিধায়ক। সংখ্যার অঙ্কে শাসক জোটের স্বস্তিতে থাকার কথা।
কিন্তু রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শেষ মুহূর্তে জেএমএমের কয়েকজন বিধায়ক ভোটাভুটিতে অনুপস্থিত থাকতে পারেন। ভোটাভুটিতে অনিয়ম করে দলকে বিপাকে ফেলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না শাসক পক্ষ।
পদ্মের থাবা এড়াতে জেএমএম এবং কংগ্রেস বিধায়কদের শনিবার হায়দরাবাদের রিসর্টে নিয়ে রাখা হয়েছিল। রবিবার বেশি রাতে তাঁদের রাঁচি ফিরিয়ে এনে সার্কিট হাউসে তোলা হয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সংখ্যার হিসাব যাইহোক না কেন, ভোটাভুটিতে ফল উল্টে যাওয়া মোটেই অসম্ভব নয়। বছর শেষে ঝাড়খণ্ডে বিধানসভার ভোট। বিজেপি তাই ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া। এই দফায় সরকার দখল করতে পারলে লোকসভার সঙ্গে বিধানসভায় ভোটও করিয়ে নিতে পারে পদ্ম শিবির।