এই ঘটনার ভয়াবহতায় প্রথমেই পুলিশের মনে হয়েছে এটি একটি সুপরিকল্পিত খুন, প্রতিহিংসাও কারণ হতে পারে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 7 November 2025 19:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নয়ডার (Noida) পর এবার নাম উঠে এল ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand)। বৃহস্পতিবার দুমকা (Dumka) জেলার দিঘি গ্রাম থেকে এক ১৭ বছরের কিশোরীর মুণ্ডহীন দেহ (17 year old girl beheaded body) উদ্ধার করেছে পুলিশ। মেয়েটির দেহ পাওয়া গেলে, তারপর খানিকটা দূরে মেলে মাথাও।
এই ঘটনার ভয়াবহতায় প্রথমেই পুলিশের মনে হয়েছে এটি একটি সুপরিকল্পিত খুন, প্রতিহিংসাও কারণ হতে পারে।
সারিয়াহাট থানার ইনচার্জ রাজেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, “প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলছে যে ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে। এবং সম্ভবত অপরাধীরা ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর ঘনিষ্ঠ কেউ।” কিশোরীর দেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
পুলিশ সূত্রে খবর, কিশোরীর বাবা ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দুই যুবকের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেন যে, তাঁর মেয়ে ওই দুইজনের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পুলিশ ওই দুই যুবককে খুঁজছে।
ঘটনাটি সামনে আসতেই এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও আতঙ্কের ছায়া। স্থানীয়রা দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার সাতসকালেই আরও এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটে নয়ডার এক অভিজাত এলাকায়। সেক্টর ১০৮–এর নর্দমা থেকে উদ্ধার করা হয় এক মহিলার মুণ্ডহীন, নগ্ন দেহ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে ওই মহিলাকে। উদ্ধার করা দেহটির মাথা ও দুই হাত কেটে ফেলা হয়েছে। পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে, পাশাপাশি অন্যান্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
প্রথম দেহটি চোখে পড়ে স্থানীয়দের। তাঁদের কাছ থেকে খবর পেয়ে সেক্টর ৩৯ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা চলছে। তবেই খুনের আসল তথ্য প্রকাশ্যে আসবে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, অন্যত্র মহিলাকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করে এখানে ফেলা হয়েছে। দেহটি কোথা থেকে আনা হয়েছে, খুনের কারণ কী, তার কোনও সূত্র এখনও মেলেনি।
ঘটনাটির তদন্তে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যাতে দেহ ফেলার সময় বা কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যায়।
পুলিশের একাধিক টিম এখন সেক্টর ১০৮ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা ও নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলছে। আপাতত ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এবং সিসিটিভি ফুটেজের উপরেই নির্ভর করছে তদন্তের মোড়।