ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ বাড়িটি সিল করে ফেলে। এসডিপিও জানিয়েছেন, মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ফরেনসিক দলও প্রাথমিক নমুনা সংগ্রহ করেছে। তবে নিহতদের মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 5 November 2025 14:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাত পোহালেই প্রথম দফার নির্বাচন বিহারে (Bihar Election)। তার ঠিক আগের দিন চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্যের পূর্ণিয়ায়। স্থানীয় জেডিইউ নেতা (JDU Leader) নিরঞ্জন কুশওয়ার পরিবারের তিন সদস্যের মৃতদেহ (Dead Body) উদ্ধার হয়েছে।
মঙ্গলবার গভীর রাতে কেহাট থানার ইউরোপীয় কলোনির এক বাড়ি থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হন নিরঞ্জনের দাদা নবীন কুশওয়া, বউদি কাঞ্চন মালা সিং এবং ভাইঝি তনু প্রিয়া।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ বাড়িটি সিল করে ফেলে। এসডিপিও জানিয়েছেন, মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ফরেনসিক দলও প্রাথমিক নমুনা সংগ্রহ করেছে। তবে নিহতদের মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। আপাতত কোনও সম্ভাবনাই খারিজ করছে না পুলিশ।
পরিবারের দাবি, দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু (Accidental Death)। তাঁদের বক্তব্য, সিঁড়ি দিয়ে নামার সময়ে পা পিছলে পড়ে যান এমবিবিএস পড়ুয়া তনু প্রিয়া। মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে বিপদে পড়েন বাবা নবীন কুশওয়া। গুরুতর আঘাতেই মৃত্যু হয় দু’জনের। স্বামী ও মেয়ের মৃত্যু সহ্য করতে না পেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান কাঞ্চন মালা সিং। তবে তদন্তকারীরা সবদিকই খতিয়ে দেখছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে বাড়িতে পৌঁছে যান নিরঞ্জন কুশওয়া-সহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা। উল্লেখ্য, নবীন কুশওয়া পূর্ণিয়ার বিশিষ্ট কুশওয়া পরিবারের সদস্য। একসময়ে তিনি বিএসপি প্রার্থী হিসেবে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন। পরে সক্রিয় রাজনীতি ছেড়ে ব্যবসায় মন দেন। তাঁর মেয়ে তনু চিকিৎসাশাস্ত্রের ছাত্রী ছিলেন।
সম্প্রতি আরজেডি (RJD) থেকে জেডিইউ-তে (JDU) যোগ দেওয়া নিরঞ্জন কুশওয়ার জন্য এই পারিবারিক বিপর্যয় ঠিক ভোটের মুখে বড় ধাক্কা বলেই মত স্থানীয় মহলের। তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে এখন গোটা পূর্ণিয়া।
প্রসঙ্গত, ৬ নভেম্বর প্রথম দফায় ১২১টি আসনে এবং ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় বাকি আসনে ভোট বিহারে। গণনা হবে ১৪ নভেম্বর। ভোটের মুখে এমন ঘটনা সত্যিই উদ্বেগ বাড়িয়েছে রাজ্যবাসীর।