প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় রাজস্থান বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক হিসেবে পেনশনের আবেদন করেছেন। আর তাতেই নতুন করে চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে।

জগদীপ ধনকড়।
শেষ আপডেট: 30 August 2025 16:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে আচমকা ইস্তফা দেওয়ার দীর্ঘদিন পর ফের খবরের শিরোনামে এলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় রাজস্থান বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক হিসেবে পেনশনের আবেদন করেছেন। আর তাতেই নতুন করে চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে। কারণ, ধনকড় কেবলমাত্র বিধায়ক ছিলেন তা নয়, তিনি লোকসভার এমপি, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজ্যপাল ও সবশেষে উপরাষ্ট্রপতি পদেও ছিলেন।
তাঁর বিধায়ক হিসেবে পেনশনের আবেদন দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার বাসুদেব দেবনানি। তিনি জানান, আবেদনটি নিয়মবিধি অনুসারে খতিয়ে দেখে ধনকড়কে জানিয়ে দেওয়া হবে। জগদীপ ধনকড় আজমির জেলার কিষাণগড় থেকে ১৯৯৩ সালে কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক হয়েছিলেন। তিনি রাজস্থানের দশম বিধানসভার সদস্য ছিলেন। তিন বছর বিধানসভার রুলস কমিটিরও সদস্য ছিলেন।
রাজস্থানে প্রাক্তন বিধায়করা ৩৫,০০০ টাকা পেনশন পেয়ে থাকেন। সত্তরোর্ধ্ব প্রাক্তন বিধায়ক আরও ২০ শতাংশ বেশি পান। ধনকড়ের বয়স বর্তমানে ৭৪ বছর। তাই তিনি ৪২,০০০ টাকা পেনশন পাবেন। এর সঙ্গে বাসভাড়া, চিকিৎসা খরচ এবং সরকারি বাসভবনে কম ভাড়ায় থাকতে পাবেন।
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হওয়ার আগে ধনকড় রাজস্থানের ঝুনঝুনু থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হন। এমনকী চন্দ্রশেখর সরকারে তিনি সংসদীয় বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব সামলেছিলেন। ২০১৯-২২ পর্যন্ত ছিলেন বাংলার রাজ্যপাল। এবং ২০২২ সাল থেকে ২৫ পর্যন্ত উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন। তিনি ওই পদ থেকে আচমকা ইস্তফা দেন গত ২১ জুলাই। তারপর থেকেই আর প্রকাশ্যে দেখা মেলেনি জগদীপ ধনকড়ের। তা নিয়ে রাজনীতিতে ব্যাপক চর্চা চলতে থাকে। এরপর জানা গেল, তিনি রাজস্থানের প্রাক্তন এমএলএ হিসেবে পেনশনের আবেদন করেছেন।
ধনকড়ের উধাও হয়ে যাওয়া নিয়ে নানান কথা শোনা গেলও একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইস্তফা দেওয়ার পর থেকে তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে দিন কাটাচ্ছেন। রোজ যোগব্যায়াম করা ছাড়াও টেবিল টেনিস খেলছেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজভবন থেকে তাঁর টেবিল টেনিস খেলার সূত্রপাত। উপরাষ্ট্রপতির বাংলোতেও কর্মচারী ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত টেবিল টেনিস খেলতেন।