সূত্রের খবর অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ৪৮টি বিমানের মধ্যে ১৭টি এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India), ৮টি ইন্ডিগোর (IndiGo) এবং বাকি ৩টি অন্যান্য সংস্থার। দিল্লি থেকে ছাড়ার কথা ছিল এমন বিমানগুলির মধ্যে ১০টি ছিল এয়ার ইন্ডিয়ার, ৭টি ইন্ডিগোর এবং ৩টি অন্য সংস্থার।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 24 June 2025 11:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতি ও ইরানের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের জেরে একাধিক দেশ তাদের আকাশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। তার জেরে দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বন্ধ হল একাধিক উড়ান পরিষেবা। বাতিল হয়েছে অন্তত ৪৮টি বিমান, যার মধ্যে ২৮টি দিল্লিগামী (48 Flights Cancelled amid Middle East Tension and the closure of airspace)।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ৪৮টি বিমানের মধ্যে ১৭টি এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India), ৮টি ইন্ডিগোর (IndiGo) এবং বাকি ৩টি অন্যান্য সংস্থার। দিল্লি থেকে ছাড়ার কথা ছিল এমন বিমানগুলির মধ্যে ১০টি ছিল এয়ার ইন্ডিয়ার, ৭টি ইন্ডিগোর এবং ৩টি অন্য সংস্থার।
ইন্ডিগো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন বিমানবন্দর ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করেছে, তাই তারা সতর্কতা অবলম্বন করে ধাপে ধাপে পুনরায় বিমান পরিষেবা চালু করছে। ইন্ডিগো জানায়, “আমরা নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং সবচেয়ে নিরাপদ আকাশপথ বেছে নিচ্ছি যাতে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে ও সুরক্ষিতভাবে যাতায়াত করতে পারেন। আমাদের মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন।”
স্পাইসজেট তাঁদের এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার আকাশপথ বন্ধ থাকায় তাদের একাধিক বিমান প্রভাবিত হতে পারে। আকাসা এয়ারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই পরিস্থিতির জন্য আমরা দুঃখিত। আমাদের টিম নজর রাখছে যাতে সব উড়ান নিরাপদ এবং অনুমোদিত আকাশপথেই পরিচালিত হয়।” তারা যাত্রীদের অনুরোধ করেছে, বিমানের অবস্থা জানতে ফ্লাইট স্টেটাস নিয়মিত দেখে নিতে।
কেন বন্ধ আকাশপথ?
সোমবার রাত থেকে কাতার, বাহরেন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE), ইরাক ও কুয়েত সাময়িকভাবে তাদের আকাশপথ বন্ধ করে দেয়। কারণ, ইরান দোহায় অবস্থিত আমেরিকার আল উদেইদ (Al Udeid) সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়। তারপরেই ওই দেশগুলি প্রতিরক্ষা সতর্কতা জারি করে। ফলে, দিল্লি বিমানবন্দর (Delhi Airport) থেকে রওনা হওয়া কিংবা সেখান থেকে আসা একাধিক বিমান বাতিল করতে বাধ্য হয় সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলি। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিকের দিকে গেলেও, বিমান পরিষেবা পুরোপুরি চালু হতে কিছুটা সময় লাগবে বলেই মনে করছেন কর্তৃপক্ষ।