বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টকে একথা জানাল দিল্লি পুলিশ। লালকেল্লা বিস্ফোরণ ও সাম্প্রতিক মেধাজীবী-সন্ত্রাসবাদের মুখোশ খুলে যাওয়ার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে শীর্ষ আদালতে সমাজকর্মী উমর খালিদ, শরজিল ইমাম সহ অন্যদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে পুলিশ।

সমাজকর্মী উমর খালিদ, শরজিল ইমাম।
শেষ আপডেট: 20 November 2025 16:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেধাজীবীরা যদি জঙ্গি হয়, তাহলে তা আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টকে একথা জানাল দিল্লি পুলিশ। লালকেল্লা বিস্ফোরণ ও সাম্প্রতিক মেধাজীবী-সন্ত্রাসবাদের মুখোশ খুলে যাওয়ার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে শীর্ষ আদালতে সমাজকর্মী উমর খালিদ, শরজিল ইমাম সহ অন্যদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে পুলিশ। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গায় জড়িত সন্দেহে এঁরা হেফাজতে রয়েছেন। এদিন সরকারি পক্ষের কৌঁসুলি অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু দিল্লি পুলিশের হয়ে আদালতে সওয়াল করার সময় একথা যুক্তি হিসেবে তুলে ধরেন।
এএসজি রাজু বলেন, ইদানীং একটি প্রবণতা ভীষণভাবে দেখা যাচ্ছে যে, শিক্ষিত-বুদ্ধিজীবীরা সরকারি পয়সায় লেখাপড়া শিখে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হয়ে তাঁদের মেধা দেশবিরোধী কাজে ব্যবহার করছেন। কঠোরভাবে জামিনের বিরোধিতা করে এএসজি বলেন, যখন বুদ্ধিজীবীরা জঙ্গি হয়ে যান, তখন তাঁরা প্রত্যক্ষভাবে পরিচিতদের কাজকারবারের থেকেও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন। তাঁর ভাষায়, মেধাজীবীরা দেশের পয়সা ধ্বংস করে ডাক্তার হচ্ছেন। তারপর তাঁরা জঘণ্য কাজে প্রবৃত্ত হচ্ছেন। এ কারণে তাঁরা ওদের থেকেও বেশি বিপজ্জনক।
এদিকে, দিল্লির লালকেল্লাকাণ্ডে বিস্ফোরণের (Delhi Red Fort Blast) তদন্তে এনআইএ-র (NIA) নজরও পড়েছে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে, কারণ মূল অভিযুক্ত জঙ্গি-চিকিৎসক উমর আগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করে ইডি। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারকে ঘিরে চাপ আরও বাড়ছে। আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে জঙ্গি নেটওয়ার্কের আরও স্তর। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই তথ্যগুলি দেশের একাধিক পুরনো হামলার তদন্তকেও নতুন দিশা দেখাতে পারে।