জম্মু-কাশ্মীর সীমান্ত থেকে ফের অনুপ্রবেশের চেষ্টা এবং তা ব্যর্থ করল নিরাপত্তাবাহিনী। শুধু তাই নয়, দুই জঙ্গিকে নিকেশ করতেও সক্ষম হয়েছে তারা।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 28 August 2025 11:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) সীমান্ত (LOC) থেকে ফের অনুপ্রবেশের চেষ্টা এবং তা ব্যর্থ করল নিরাপত্তাবাহিনী। শুধু তাই নয়, দুই জঙ্গিকে নিকেশ করতেও সক্ষম হয়েছে তারা।
বৃহস্পতিবার সেনা ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যৌথ অভিযানে বান্দিপোরার গুরেজ সেক্টরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়। সেনার দাবি, সীমান্তে সন্দেহজনক গতিবিধি চোখে পড়ে জওয়ানদের। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই শুরু হয়। সেই সংঘাতেই দুই অনুপ্রবেশকারী জঙ্গি নিহত হয়। এখনও গুরেজে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে চিনার কর্পস।
OP NAUSHERA NAR IV, Bandipora
Based on intelligence provided by JKP regarding likely infiltration attempt, a joint operation was launched by #IndianArmy and @JmuKmrPolice in Gurez Sector. Alert troops spotted suspicious activity and challenged, which resulted in terrorists… pic.twitter.com/Jd6e1uHdpd— Chinar Corps🍁 - Indian Army (@ChinarcorpsIA) August 28, 2025
এদিকে, জঙ্গি অনুপ্রবেশের (Infiltration) ইস্যু নিয়ে শোরগোল বিহারে (Bihar)। রাজ্য পুলিশের সদর দফতর গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে গোটা রাজ্যে হাই অ্যালার্ট (High Alert) জারি করেছে।
আশঙ্কা, জইশ-ই-মহম্মদের (Jaish E Mohammad) তিন জঙ্গি নেপাল সীমান্ত (Nepal Border) পেরিয়ে বিহারে ঢুকে পড়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের নাম হাসনাইন আলি (রাওয়ালপিণ্ডি), আদিল হুসেন (উমারকোট) ও মহম্মদ উসমান (বাহাওয়ালপুর)। অর্থাৎ তিনজনই পাকিস্তানের (Pakistan) বাসিন্দা।
তদন্তকারীরা আপাতত যে তথ্য পেয়েছেন তা অনুযায়ী, অগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে জঙ্গিরা কাঠমাণ্ডু পৌঁছয়। তারপর গত সপ্তাহে নেপাল সীমান্ত ঘেঁষে বিহারে প্রবেশ করেছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই সীমান্তবর্তী জেলার গোয়েন্দা শাখাকে সতর্ক করেছে। সন্দেহজনক গতিবিধির ওপর নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাসপোর্ট-সংক্রান্ত তথ্যও স্থানীয় থানাগুলিকে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, বিহার ও নেপালের মধ্যে প্রায় ৭২৯ কিলোমিটার খোলা সীমান্ত রয়েছে। এই দীর্ঘ সীমান্ত দিয়েই বহুবার চোরাচালান ও অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। সীমান্তবর্তী সাতটি জেলা নিয়ে প্রশাসনের চিন্তা সর্বাধিক। এ বছর অঘোষিতভাবে ‘সিঁদুর অভিযান’-এর পর থেকেই সীমান্ত পাহারায় জোর দেওয়া হচ্ছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ঘিরেও গোটা রাজ্যে নিরাপত্তা আরও আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।
একদিকে কাশ্মীর সীমান্তে সেনার গুলিতে দুই জঙ্গির মৃত্যু, অন্যদিকে বিহারে ঢুকে পড়া জইশের তিন সন্দেহভাজনকে ঘিরে গোয়েন্দা তথ্য - দুই ঘটনায় স্পষ্ট, পাকিস্তান মদতপুষ্ট সন্ত্রাস মোকাবিলায় ভারতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন সর্বোচ্চ সতর্কতায়।