অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সোনালি খাতুন অবশেষে দেশে ফিরে এসেছেন। সাকিনা বেগমের সেই সৌভাগ্য এখনও হয়নি। তিনি এখনও ঢাকার মীরপুরে এক অপরিচিতের আশ্রয় আছেন। সোনালি খাতুন তাঁর ৮ বছর বয়সি পুত্রকে নিয়ে ফিরতে পারলেও ফেরা হয়নি তাঁর স্বামী এবং আরও এক প্রতিবেশীর।

শেষ আপডেট: 7 December 2025 17:14
অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সোনালি খাতুন অবশেষে দেশে ফিরে এসেছেন। সাকিনা বেগমের সেই সৌভাগ্য এখনও হয়নি। তিনি এখনও ঢাকার মীরপুরে এক অপরিচিতের আশ্রয় আছেন। সোনালি খাতুন তাঁর ৮ বছর বয়সি পুত্রকে নিয়ে ফিরতে পারলেও ফেরা হয়নি তাঁর স্বামী এবং আরও এক প্রতিবেশীর।
বীরভূমের সোনালি খাতুনের মতোই অসমের নলবাড়ির সাকিনা বেগমকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছিল বিএসএফ। ভারত রাষ্ট্রের চোখে তাঁরা অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি। যদিও বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। সোনালি বিবিকে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কঠোর মনোভাবের মুখে কেন্দ্রীয় সরকার মানবিক কারণে তাঁকে ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেইমতো তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু নাগরিকত্ব নিয়ে মামলা চলমান। ভারত সরকারের চোখে এখনও সে বাংলাদেশি।
অন্যদিকে, ঢাকার মীরপুরে চালচুলোহীন এক অসহায় পরিবারের আশ্রয়ে আছেন অসমের সাকিনা বেগম। অসম পুলিশ একদিন তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল কিছু কাগজপত্রে সই করানোর কথা বলে। তারপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন মহিলা। অনেক চেষ্টার পর পরিবার জানতে পারে বিএসএফ তাঁকে বাংলাদেশে পুশ ইন অর্থাৎ ঠেলে পাঠিয়ে দিয়েছে। অদেখা জায়গা, অচেনা মানুষ, না জানা ভাষা, সব মিলিয়ে অথৈ জলে পড়েন নলবাড়ির বৃদ্ধা। কেন্দ্র ও অসমের বিজেপি সরকারের চোখে 'বাংলাদেশি মুসলিম' এই বৃদ্ধা এক বর্ণ বাংলা বলতে বা বুঝতে পারেন না। ফলে বাংলাদেশে অনেক স্বহৃদয় মানুষ তাঁকে সাহায্য করতে চেয়েও পারেননি ভাষা বুঝতে না পারায়। তিনি যে আদতে ভারতীয় সেটা স্পষ্ট হয়েছিল বিবিসি বাংলার দুই সাংবাদিকের ভিন্ন ধারার অনন্য সাংবাদিকতার সুবাদে। মীরপুরে যে পরিবারটির আশ্রয় আছেন সাকিনা বিবি, সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিবিসি বাংলার ঢাকার সাংবাদিক তাফসির বাবু। অসমের নলবাড়িতে গিয়েছিলেন বিবিসি বাংলার কলকাতার সাংবাদিক অমিতাভ ভট্টশালী। ঢাকা থেকে মা আর নলবাড়ি থেকে মেয়েকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেখা করিয়ে দেন তাঁরা। মা, মেয়ে একে অপরকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
এই এই সাক্ষাৎ শুধু প্রযুক্তির কারণেই সম্ভব হয়েছিল তা নয়, দুই সাংবাদিক অনেক দৌড়ঝাঁপ করে মা এবং মেয়েকে খুঁজে বার করেন। এই সব সহ নাগরিকদের খবর আমরা কজনইবা রাখি। আর সরকারি প্রশাসন যন্ত্র তো তাদের তাড়াতে পারলেই বাঁচে।
অসম সীমান্ত থেকে ঢাকা আসার পথে কান্নায় ভেঙে পড়ে বৃদ্ধা এর ওর সাহায্য চেয়েছেন। কিন্তু কেউই তাঁর ভাষা বুঝতে পারেননি। ঘুরতে ঘুরতে একদিন ঢাকা পৌঁছে যান। মীরপুরের ফুটপাথে পড়ে থাকা অনাহার ক্লিষ্ট, চলৎশক্তিহীন বৃদ্ধাকে হত দরিদ্র সহৃদয় এক পরিবারের লোকেরা আশ্রয় দেন। যাদের নিজেদেরই প্রতিদিন দু'বেলা ভাত জোটে না।
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী যখন পালা করে পুশ ইন অর্থাৎ আলাপ-আলোচনা, কাগজপত্র বিনিময় ছাড়াই কিছু মানুষকে সীমান্তের ওপারে ঠেলে দিচ্ছে তখন বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসন, সীমান্ত রক্ষী বাহিনীও বাড়তি সতর্ক। সাকিনাকে ভারতীয় অনুপ্রবেশকারী হিসাবে গ্রেফতার করার পর সে দেশের সরকার তাকেউ জেলে আটকে রাখে। সপ্তাহ দেড়েক হলো তিনিও জামিন পেয়েছেন। কিন্তু দেশে ফেরা হয়নি। এখনও মীরপুরের সেই দিন আনি দিন খাই পরিবারটির আশ্রয়ই রয়েছেন বৃদ্ধা। দু'দেশের সরকারই যখন আইনের কঠোর বিধান বলবৎ করতে ব্যস্ত তখন মানবিকতার অনন্য নজির গড়েছেন কিছু সাধারণ মানুষ। সোনালি এবং সাকিনা, দু'জনকেই আইনি সহায়তা দিয়েছেন বাংলাদেশের আইনজীবীরা। সহায়তা করেছে সে দেশের সংবাদ মাধ্যম।
কিন্তু সাকিনা বেগমের জন্য বাড়তি সমস্যা ডবল ইঞ্জিন সরকার। তাঁকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর পিছনে রাজ্য ও কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকারের যৌথ ভূমিকা ছিল। বৃদ্ধাকে ফেরাতে তারা যে উদ্যোগ নেবে না, তা জানাই আছে।
দুই নারীকে মুক্ত করার আইনি লড়াইয়ে আদালতে সাব্যস্ত হয় সোনালি ও সাকিনারা ভারতীয়, অতএব বাংলাদেশে তাঁরা অনুপ্রবেশকারী। আমাদের গোটা রাষ্ট্রযন্ত্র যখন অবৈধ বাংলাদেশি গ্রেফতারে অভিযানে ব্যস্ত তখন সোনালি ও সাকিনার ঘটনায় সাব্যস্ত হলো যে ভারতের বর্তমান কর্ণধারেরা অনুপ্রবেশের অভিযোগ প্রমাণে নিজের দেশের নাগরিককে পর্যন্ত বাংলাদেশি বলে দেগে দিচ্ছে।
সোনালি বিবিদের নথিপত্র যাচাই করে কলকাতা হাইকোর্ট ভারত সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল তাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে।দিল্লির কর্তারা তাতে কর্ণপাত করেননি। আদালতে রাষ্ট্রের কর্তা ব্যক্তিরা দাবি করেন, তাঁদের সিদ্ধান্ত সঠিক এবং সেইমতো রাষ্ট্রযন্ত্রের মর্যাদা রক্ষায় কিছু অতি সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তাই সোনালির স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছিল। কলকাতা হাই কোর্টের পাশাপাশি বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আদালতের বিচারকও সোনালিদের 'ভারতীয়' বলে নিশ্চিত হওয়ার পর নিয়ম মেনে অনুপ্রবেশকারীদের জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিলেও ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনকেও বলেছিল ধৃতদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করতে। হাইকমিশনের এক অফিসার চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে ফিরে আসার পর পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। আরও কঠোর অবস্থান নেয় নয়া দিল্লি। সোনালিদের বাংলাদেশি প্রমাণ করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়ে তারা। শেষ পর্যন্ত যদিও মানবিক কারণ দেখিয়ে অন্তঃসত্ত্বা সোনালি ও তাঁর শিশু পুত্রকে ফেরালেও নাগরিকত্বের প্রশ্নটি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, অসমের ফরেনার্স ট্রাইবুনাল সাকিনা বেগমকে আগেই বিদেশি বলে চিহ্নিত করেছিল। সেই রায় বহাল রাখে গুয়াহাটি হাইকোর্টও। ফলে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা আইনজীবীদের উদ্যোগে হাইকোর্টে সাকিনার পরিবারের দায়ের করা হেভিয়াস করপাস মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতিরা। এখন ভরসা সুপ্রিম কোর্ট।
সাকিনা বেগম বাংলাদেশি কিনা সেই বিবাদের এখনও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। অসমে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে প্রধানত দুই ভাষাভাষীর মানুষ আছেন। এক গোষ্ঠীর মাতৃভাষা বাংলা, বাকি সিংহভাগের ভাষা অসমীয়া। অসমের বিজেপি সরকার বছর তিনেক আগে সিদ্ধান্ত নেয়, গোরইয়া, মরিয়া, জলহা, দেশি ও সৈয়দ এই পাঁচ জনগোষ্ঠীর মুসলিম যারা অসমীয়া ভাষায় কথা বলেন তাদের শুধু রাজ্যের আদি বাসিন্দা হিসাবে গণ্য করা হবে। অসম সরকারের মতে, এই পাঁচ মুসলিম জনগোষ্ঠীর মানুষ অসমের বহুকালের বাসিন্দা। সরকার তাদের উন্নয়নের জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করবে। এই পাঁচ জনগোষ্ঠীর মানুষ অসমিয়া ভাষী মুসলিম।
সাকিনা বিবি ও তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীদের দাবি তিনি এবং তাঁরা গোরইয়া সম্প্রদায় ভুক্ত। অর্থাৎ তাঁরা অসমের আদি বাসিন্দা। কিন্তু প্রশাসন তা মানতে নারাজ। সরকারের এই মনোভাবে অসমের কয়েক লাখ মানুষের জীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। নিজেদের সঠিক প্রমাণ করতে সরকার এমন মরিয়া হয়ে উঠেছে যে পুরো আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই, এমনকী ডিটেনশন সেন্টারে না পাঠিয়ে সন্দেহভাজনদের সরাসরি দেশ থেকে ঘাড়ধাক্কা দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করার নামে এই আইনি ও প্রশাসনিক আস্ফলন আসলে এক চরম রাষ্ট্রীয় দুর্বলতার নিদর্শন। সরকারি প্রশাসন যন্ত্র বিজেপির নির্বাচনী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে যাওয়ায় বাংলাদেশের কাছে ভারতের মুখ পুড়ল।
অনুপ্রবেশের সমস্যা থেকে কোনও দেশই মুক্ত নয়। আমাদের প্রশাসন যখন বাংলাদেশি সন্দেহে শত শত মানুষকে সে দেশে পুশ করছে তখন আমেরিকার বিমান বোঝাই করে অবৈধ ভারতীয় বিতাড়ন অব্যাহত। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের এই পদক্ষেপে কোন চমক নেই। এক বছর আগে দ্বিতীয়বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি যে কর্মসূচি সর্বাগ্রে বাস্তবায়ন করবেন বলে কথা দিয়েছিলেন তার অন্যতম ছিল বেআইনি অভিবাসীদের বিতাড়ন।
বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদী সরকারের অনুপ্রবেশকারী বিরোধী কঠোর অবস্থান কারও অজানা নয়। জন্মলগ্ন থেকে পদ্ম শিবির এই বিষয়ে তাদের অবস্থান খোলাখুলি জানিয়ে এসেছে। এক কথায় তা হল, ভিনদেশি মুসলিমরা অনুপ্রবেশকারী এবং হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা শরণার্থীর মর্যাদা পাবেন। এই অবস্থান থেকেই ২০১৯-এ তৈরি হয় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। কিন্তু ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে মোদী সরকার এবং বিজেপির ঘোষণাপত্রে এমন কোন আভাস ছিল না যে ২০২৫-এ তাদের প্রধান কর্মসূচি হবে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হটাও অভিযান।
অথচ লোকসভা ভোটের মাস কয়েকের মাথায় ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপির প্রধান ইস্যু ছিল অনুপ্রবেশকারী। এই ইস্যুতে প্রচারের নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যদিও বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা সে রাজ্যের আদিবাসীদের মনে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে ভয় ধরাতে সফল হননি। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের কারণে ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী মহল্লায় জনগোষ্ঠীর চরিত্র বদলে যাচ্ছে, এমন ধারণা তাঁরা বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পারেননি। এর চাইতেও বড় বিষয় হলো ভোট মিটতেই অনুপ্রবেশ নিয়ে সে রাজ্যে পদ্ম শিবির আর রা কাড়ছে না। বরং বিস্ময়কর তথ্য হলো ক্ষমতাসীন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাকে গলায় জড়িয়ে ধরতে প্রস্তুত হচ্ছে পদ্ম শিবির। ফলে ঝাড়খণ্ডে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি অদূর ভবিষ্যতে কতদূর কী করবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
কিন্তু ইস্যুটি যে দলের সম্পদ তা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। ঝাড়খণ্ডের পরেই শুরু হয়েছে দেশ জুড়ে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযান। এবার লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গ। বছর দেড় দুই পর বিধানসভার ভোট হওয়ার কথা উত্তর প্রদেশে। চলতি সপ্তাহ থেকে সে রাজ্যে মহল্লা ধরে বাংলাদেশি খোঁজার অভিযান শুরু করতে চলেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। বলাই বাহুল্য বাংলার মতো উত্তরপ্রদেশে বিজেপির সেটা প্রাথমিক এজেন্ডা নয়।
বাংলায় বিজেপি বিগত বাম জমানা থেকেই অনুপ্রবেশকে অন্যতম হাতিয়ার করেছে। এ নিয়ে প্রচারে তারা যথেষ্ট সফল তাতে সন্দেহ নেই। বিজেপির হিন্দুত্বের নামে মুসলিম বিদ্বেষ ছড়ানোর সহজ পাঠ হল অনুপ্রবেশ। বিএসএফের পরিসংখ্যান যাই বলুক না কেন, পদ্ম নেতারা লাগাতার প্রচার করে অনুপ্রবেশের সমস্যাকে এক ভয়ঙ্কর রূপ দিতে পেরেছেন। সেটা এতটাই যে কোনও ভাবে এ রাজ্যে দলটি ক্ষমতা দখল করতে পারলে বছর দশেক শুধু অনুপ্রবেশ সমস্যার কথা বলে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে পারবে। সোনালিদের ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের সীমান্ত প্রহরী সংস্থা বিজিবি এক বিবৃতিতে বলে, 'বিএসএফের এই অমানবিক পুশ ইন কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড এবং দ্বিপাক্ষিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিজিবি আশা করে, পুশ ইন-সহ এ ধরনের অমানবিক ও আন্তর্জাতিক আইন-বিরোধী কার্যক্রম বিএসএফ বন্ধ করবে এবং ভবিষ্যতে সীমান্তে সৌহার্দ্যপূর্ণ, মানবিক ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া বজায় রাখবে।' এত কষ্ট মন্তব্য করতে অনুপ্রবেশের বিপদকে সামনে রেখে বিজেপির রাজনীতির মুসলিম বিদ্বেষের কারণে।