ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে আসতে চলেছে নিঃশব্দে শত্রুঘাঁটিতে অব্যর্থ নিশানায় সক্ষম পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান।

কাজটি করবে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও বিকাশ সংস্থার (DRDO) অধীন অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ADA)।
শেষ আপডেট: 27 May 2025 15:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দেওয়ার পর, দেশের বিমানবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে বিরাট সিদ্ধান্ত নিল ভারত। ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে আসতে চলেছে নিঃশব্দে শত্রুঘাঁটিতে অব্যর্থ নিশানায় সক্ষম পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে এই অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্র্যাফটের কার্যকরী মডেলের (AMCA) আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে। এর সঙ্গেই পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নির্মাণে শক্তিধর দেশগুলির সমকক্ষ হতে চলেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই প্রকল্পের সবুজ সংকেত দিয়েছেন। কাজটি করবে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও বিকাশ সংস্থার (DRDO) অধীন অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ADA)। বেসরকারি সংস্থাও এই গবেষণার কাজে যুক্ত থাকবে বলে এদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
এতদিন পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হাতে ছিল আমেরিকা, রাশিয়া, চিনসহ গুটিকয়েক প্রথম সারির শক্তিসম্পন্ন দেশের কাছে। ভারত এই পঞ্চম প্রজন্মের জেট ফাইটার তৈরির দিকে এগনোয় বিশ্বে এলিট শক্তি বলে যে দেশগুলিকে সমীহ করা হয়, সেই সারিতে চলে আসছে। পঞ্চম প্রজন্মের এই জেট বিমান শত্রু রাডারের চোখে ধুলো দিতে পারদর্শী। শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী এই বিমানে আরও বেশ কিছু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে।
সুখোই এসইউ-৩০এমকেআই ফাইটার জেটের উত্তরসূরী হতে চলেছে এই ফাইটার জেট। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই যুদ্ধবিমানের ঢালাও উৎপাদন শুরু হবে ২০৩৫ সালের ভিতর। একবার এই বিমান ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে চলে আসতে শুরু করলে আকাশের উপর দেশের কর্তৃত্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।
পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান যেমন-আমেরিকার এফ-৩৫, চিনের জে-২০ তৈরিতে মোটামুটি কমবেশি বছর দশেক সময় লেগেছে। অ্যামকাও একই সময় ধরলেও এই বিমানের চরিত্রে আরও বদল ঘটিয়ে আধুনিক করার কাজ করতে চলেছে। বিশেষত এর ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে বেশি করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোনওরকম ঝুঁকি এড়াতে এবং গতিবৃদ্ধি করার কৌশল নিয়ে বিদেশি অরিজিনাল ইক্যুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারারের কাছ থেকে যৌথ উদ্যোগে তা তৈরির পরিকল্পনা হয়েছে।