পাকিস্তানকে ফের রক্তচক্ষু দেখিয়ে ড্রোন-বিনাশী 'ভূমিপুত্র' 'ভার্গবাস্ত্রের' সফল পরীক্ষা করল ভারত।

ভার্গবাস্ত্রের সফল পরীক্ষা হল ওড়িশার গোপালপুরে।
শেষ আপডেট: 14 May 2025 17:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানকে ফের রক্তচক্ষু দেখিয়ে ড্রোন-বিনাশী 'ভূমিপুত্র' 'ভার্গবাস্ত্রের' সফল পরীক্ষা করল ভারত। নামকরণের নেপথ্যেও রয়েছে এক বিরাট মোচড়। ভার্গব হলেন ভৃগু মুনির বংশজাত। তবে ভার্গব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত আরও বহু অর্থ রয়েছে হিন্দু ধর্মে। যেমন শিবের একটি উপাধি হল ভার্গব। এছাড়াও দক্ষ ও নিখুঁত নিশানাবাজ তিরন্দাজকে ভার্গব বলা হয়।
সোলার ডিফেন্স অ্যান্ড এরোস্পেস লিমিটেড (SDAL) এই ভার্গবাস্ত্রের নির্মাণ কৌশল ও প্রযুক্তি তৈরি করেছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র মঙ্গলবার সফল ভাবে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার ওড়িশার গোপালপুর উপকূলে দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করা হয় এবং সেগুলি প্রতিটি মাপকাঠিতেই সফল হয়েছে বলে খবর। ভার্গবাস্ত্রের বিশেষত্ব হল, এটি তৈরি করা যায় খুবই কম খরচে। গোপালপুরের সৈকত ফায়ারিং রেঞ্জ থেকে এগুলির পরীক্ষা সফল হওয়ার পরেই ইসলামাবাদকে ফের ড্রোন হামলা নিয়ে প্রচ্ছন্ন সতর্কবার্তা দিল নয়াদিল্লি।
কম খরচসাপেক্ষ হলেও ভার্গবাস্ত্র কঠিন আঘাত হানতে সক্ষম। গত ১৩ মে মোট তিনটি পরীক্ষা চালানো হয়। আর্মি এয়ার ডিফেন্সের (AAD) কর্তাব্যক্তিরা পরীক্ষার সময় উপস্থিত ছিলেন। মাইক্রো রকেট থেকে দুটি পরীক্ষা হয় এবং একটি হয় সালভো মোডের দুটি রকেট থেকে।
ভার্গবাস্ত্র কী?
এটি আন গাইডেড মাইক্রো টাইপ রকেট। আড়াই কিমি দূরের এবং ২০ মিটার ব্যাসের এলাকায় মারণ ক্ষমতাসম্পন্ন। দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে গাইডেড মাইক্রো মিসাইল যা অব্যর্থ নিশানা ভেদে সফল। এর রাডার ৬-১০ কিমি দূরের শত্রু ড্রোন চিহ্নিত করতে পারে। যে কোনও জায়গা থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যেতে পারে।