Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়

ইয়েমেনে কেরলের নার্সের মৃত্যুদণ্ড রদে উদ্যোগী ভারত, জানাল বিদেশ মন্ত্রক

নিমিশা প্রিয়া নামে মাঝবয়সি ওই নার্স আদতে কেরলের বাসিন্দা।

ইয়েমেনে কেরলের নার্সের মৃত্যুদণ্ড রদে উদ্যোগী ভারত, জানাল বিদেশ মন্ত্রক

নিমিশা প্রিয়া

শেষ আপডেট: 31 December 2024 12:40

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইয়েমেনে এক ভারতীয় নার্সের মৃত্যুদণ্ড রদে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সে দেশের প্রেসিডেন্ট রশিদ মহম্মদ আল আলিমির প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রক আর্জি জানিয়েছে, নিমিশা প্রিয়া নামে ওই নার্সকে যেন ক্ষমা করে দেওয়া হয়। ভারতের মতো ইয়েমেনেও একমাত্র রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা আছে মৃত্যুদণ্ড রদ করার।

নিমিশা প্রিয়া নামে মাঝবয়সি ওই নার্স আদতে কেরলের বাসিন্দা। বছর দশ আগে তিনি চাকরি সূত্রে ইয়েমেনে যান। সেখানে তালাত আবদো মাধি নামে ইয়েমেনের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক হয়। প্রথমে তাঁরা যৌথ ব্যবসা শুরু করেন। পরে বিয়ে হয়।

ইয়েমেন পুলিশের দাবি, নিমিশা তাঁর স্বামীকে হত্যা করার পর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। পুলিশের বক্তব্য, দাম্পত্য কলহ থেকে এই খুন। মিনিশার অভিযোগ, স্বামী তাঁর উপর লাগাতার নির্যাতন করত এবং সে যাতে ভারতে ফিরে যেতে না পারে সে জন্য পাসপোর্টটি লুকিয়ে রাখে। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, পাসপোর্ট ফিরে পেতেই স্বামীকে হত্যা করে টুকরো টুকরো করে কেটে নিমিশা ট্রাঙ্কে ভরে পাচার করার পরিকল্পনা করেছিল।

ইয়েমেনের আইনে আদালত নিমিশাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। সেই সাজার বিরুদ্ধে বিগত কয়েক বছর ঘরে অনেকগুলি আন্তর্জাতিক সংগঠন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তারা মৃত্যুদণ্ড বিলোপের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের দাবি, নিমিশা এক অসহনীয় পরিস্থিতিতে স্বামীকে হত্যা করেছে। এটাও এক ধরনের আত্মরক্ষা। তাঁকে তাই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায় না।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মঙ্গলবার জানিয়েছেন আদালতে আইনি লড়াইয়ে নিমিশার পরিবারের পাশে ছিল ইয়েমেনের ভারতীয় দূতাবাস। ভাল আইনজীবী দেওয়া হয়েছিল মৃত্যুদণ্ড রদের মামলায়। কিন্তু দিন কয়েক আগে ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি ওই প্রবাসী ভারতীয়ের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। মাস খানেকের মধ্যেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা। তাই ভারত সরকারের তরফে আর্জি জানানো হয়েছে কেরলের ওই নার্সের মৃত্যুদণ্ড রদ করা হোক।


```