ভারতের সর্বোচ্চ এই বিমানঘাঁটি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি ভারসাম্যের খেলার গতিমুখ বদলে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই বিমানঘাঁটি খুলে যাওয়ায় দেশের প্রতিরক্ষা কৌশলগত বিশাল মাইলফলক স্থাপিত হল।
শেষ আপডেট: 13 November 2025 14:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিনের নাকের ডগায় লাদাখে নিয়োমা বিমানঘাঁটি পুরোদমে চালু হয়ে গেল। ভারতের সর্বোচ্চ এই বিমানঘাঁটি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি ভারসাম্যের খেলার গতিমুখ বদলে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩,৭০০ ফুট উচ্চতায় এই বিমানঘাঁটি চিন সীমান্ত থেকে মাত্র ৩৫ কিমি দূরে। ২.৭ কিমির রানওয়ে থেকে এসইউ-৩০ এমকেআই এবং রাফাল জেট বিমান উড়তে পারবে এবং অতি দ্রুত বাহিনী মোতায়েন করা সম্ভব হবে।
বুধবার বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং হিন্ডন থেকে নিয়োমা বিমানঘাঁটিতে একটি সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস বিমানে চড়ে নামার সঙ্গেই এটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়ে যায়। এই বিমানঘাঁটি খুলে যাওয়ায় দেশের প্রতিরক্ষা কৌশলগত বিশাল মাইলফলক স্থাপিত হল।
ভারতের সঙ্গে চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যখন ধীরে ধীরে নতুন করে উন্নত হচ্ছে, তখন এই বিমানঘাঁটির উদ্বোধন নয়া মাত্রা এনেছে। কারণ সীমান্ত সমস্যা নিয়ে দুদেশের আস্থা এখনও তলানিতে ঠেকে আছে। এক পদস্থ আধিকারিকের মতে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সেনা প্রত্যাহার হচ্ছে না, এর অর্থ এ বছরেও শীতে বাহিনী সীমান্তে মজুত রাখা হবে। ২০২০ সালের লাদাখ সংঘর্ষ থেকেই এনিয়ে টানা ৬বার এই অবস্থা জারি থাকছে।
এই বিমানঘাঁটির প্রাথমিক লক্ষ্য হবে প্যাংগং, দেমচোক ও ডেপসাং-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ও দুর্গম এলাকায় দ্রুত সেনা মোতায়েন করা। সেই সঙ্গে যুদ্ধসামগ্রীও পৌঁছে দেওয়া। বেস তৈরিতে খরচ পড়েছে ২১৮ কোটি টাকা। বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন এটি নির্মাণ করেছে। ২০২৩ সালে দূরমাধ্যমে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এই বিমানঘাঁটির শিলান্যাস করেছিলেন।