এলপিজি, সিএনজি ও পাইপ গ্যাস তৈরি করতে সংস্থাগুলো যে পরিমাণ গ্যাস গত ছয় মাসে ব্যবহার করেছে, তার ১০০ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 11 March 2026 12:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরবদুনিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির (Middle East Tension) কারণে গ্যাস সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন দেখা দিয়েছে (Middle East conflict gas supply)। এই অবস্থায় ঘরোয়া পরিষেবা যাতে বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সরকার নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে (LPG CNG piped gas India) কোন কোন খাতে অগ্রাধিকার পাবে সেই বিষয়ে পরিষ্কার জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে আগে দেওয়া হবে এলপিজি (LPG), সিএনজি (CNG) ও পাইপ গ্যাস প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোকে (gas shortage India)। আগে সিএনজি ও পাইপ গ্যাসই ছিল অগ্রাধিকার তালিকায়, এবার এলপিজিকেও সেই তালিকায় যুক্ত করা হল।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী-
এলপিজি (LNG supply crisis), সিএনজি ও পাইপ গ্যাস তৈরি করতে সংস্থাগুলো যে পরিমাণ গ্যাস গত ছয় মাসে ব্যবহার করেছে, তার ১০০ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এরপর অগ্রাধিকার পাবে সার কারখানাগুলো- তাদের ৭০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করা হবে।
চা-শিল্পসহ অন্যান্য শিল্প কারখানাগুলোকে দেওয়া হবে তাদের আগের ছয় মাসের চাহিদার ৮০ শতাংশ, তবে সরবরাহের পরিস্থিতি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তেল–গ্যাস পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) মার্কিন-ইজরায়েলি হামলা ও ইরানের পাল্টা আক্রমণের পর জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে কমে গেছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এক-তৃতীয়াংশ এলএনজি এই পথ দিয়ে যায়।
ভারতেও (Oil-Gas crisis in India) এর প্রভাব পড়েছে। দেশের আমদানি হওয়া বড় অংশের এলএনজি ও এলপিজি এই রুট ধরে আসে। ট্যাঙ্কার আটকে থাকায় সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তাই জরুরি পরিষেবা চালু রাখতে দেশীয় গ্যাস অন্য খাত থেকে সরিয়ে অগ্রাধিকার খাতগুলোতে দেওয়া হচ্ছে।
গ্যাস কোন কাজে লাগে?
এই সঙ্কটে মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্ট এবং উচ্চমূল্যের শিল্প গ্রাহকদের সরবরাহ কমানো হবে, যাতে প্রয়োজনীয় খাত চালু রাখা যায়।
নতুন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্যাস বণ্টনের পুরো কাজ পরিচালনা করবে GAIL। তাদের নির্দেশ-
কেন এই বদল?
সরকার জানিয়েছে আরবদুনিয়ায় ( Middle East)যুদ্ধের কারণে এলএনজি জাহাজ চলাচল প্রায় থমকে গেছে এবং বহু সরবরাহকারী 'ফোর্স মেজর' দেখিয়ে চুক্তি মানতে পারছে না। তাই দেশীয় গ্যাস পুনর্বণ্টন ছাড়া উপায় নেই।