আগে যেখানে ভারত ২৭টি দেশ থেকে তেল আমদানি (India Oil Imports) করত, এখন প্রায় ৪০টি দেশের কাছ থেকেই অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি নিয়ে থাকে, যা এর শক্তিশালী এনার্জি নিরাপত্তার অংশ।

৪০ দেশ থেকে ভারতের তেল আমদানি (প্রতীকী ছবি)
শেষ আপডেট: 11 March 2026 07:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরবদুনিয়ার সংঘাতে (Middle East Tension) কার্যত অচলাবস্থায় হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)। ইজরায়েল, আমেরিকার যৌথ হামলায় (Isarel US Strikes) সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর (Khamenei Death) পরই হরমুজ বন্ধ করে দেয় ইরান (Iran War)। এর ফলে বিশ্বের তেলের এক-পঞ্চমাংশ ট্যাঙ্কার পারাপার হওয়া কমে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই এর প্রভাব পড়েছে অন্যান্য দেশগুলিতে। এই অবস্থায় দেশে তেলের জোগান ঠিক রাখতে ৪০টি দেশ থেকে তেল আমদানির পরিমাণ বাড়ল ভারত।
ভারতের নতুন কৌশল: ৪০টি দেশ থেকে আমদানি
কেন্দ্র জানিয়েছে, আগে যেখানে ভারত ২৭টি দেশ থেকে তেল আমদানি (India Oil Imports) করত, এখন প্রায় ৪০টি দেশের কাছ থেকেই অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি নিয়ে থাকে, যা এর শক্তিশালী এনার্জি নিরাপত্তার অংশ। আমদানির নতুন পথ তৈরি হওয়ায় তেলের ঝুঁকি কমেছে।
এখন পর্যন্ত মোট আমদানি তেলের প্রায় ৬০ শতাংশ অংশ সেই নতুন রুটগুলোর মাধ্যমে আসে—জন্য আগে যেখানে ৫৫ শতাংশ ছিল। সরকারি সূত্র জানিয়েছে যে বিভিন্ন দেশ ও অংশীদারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে যাতে জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাত না ঘটে।
তেল আমদানির সুবিধাজনক দেশগুলোর মধ্যে আছে আলজেরিয়া, ক্যানাডা, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, নরওয়ে, প্যানামা, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ব্রিটেন, আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলা- সহ আরও অনেক দেশ।
রাশিয়া থেকে তেল ও সরবরাহের খরচ
ভারত এখনও রাশিয়া (Russia) থেকে তেলের বড় অংশ নিচ্ছে। বর্তমানে রাশিয়াই দেশের প্রধান সরবরাহকারী- মাসিক হিসেবে প্রায় ১.০৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল কেনা হয়েছে, যা মোট সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ। এছাড়া জ্বালানি আমদানির খরচ কিছুটা বেশি হতে পারে কারণ নতুন রুটে পরিবহন খরচ ও বীমার খরচ বাড়ছে।
জ্বালানি মজুত: দেশের নিরাপত্তা ব্যাফার
ভারত সরকার (Indian Govt) জানিয়েছে যে দেশের মোট তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য মজুত ৭৪ দিনের সমান, যা বর্তমান জটিল পরিস্থিতিতে সরবরাহ বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
এতে আছে:
হরমুজ সঙ্কট ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় জ্বালানি সরবরাহে চাপ বাড়ছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সহ (Donald Trump) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নেতা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে প্রণালীতে তেলের প্রবাহে বিঘ্ন ঘটালে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।