
মহম্মদ মহসিন খান
শেষ আপডেট: 13 December 2024 21:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ! অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার এক অফিসারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন আইআইটি কানপুরের রিসার্চ স্কলার এক তরুণী। পড়ুয়ার অভিযোগ, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করলেও বিয়ের কথা বলতেই বেঁকে বসেন মহম্মদ মহসিন খান নামে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার।
বিষয়টি জানাজানি হতেই অভিযুক্ত অফিসারকে সহকারী পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরিয়ে লখনউয়ের ডিজিপি-র অফিসে বদলি করা হয়েছে। দায়ের হয়েছে এফআইআরও।
কানপুরের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সাউথ) অঙ্কিতা শর্মা জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। ২৬ বছর বয়সি তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার তাঁর সঙ্গে সহবাস করেছেন মহম্মদ মহসিন খান। কিন্তু সম্প্রতি বিয়ের কথা বলতেই বেঁকে বসেন তিনি। এরপরই থানায় গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন আইআইটি পড়ুয়া।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার পাঁচ মাস আগে আইআইটি কানপুরে সাইবার ক্রাইম এবং ক্রিমিনোলজিতে পিএইচডি-র জন্য ভর্তি হন। সে সময় রিসার্চ স্কলারের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হতেই অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করেন বলে অভিযোগ।
তরুণী আরও জানান, পুলিশ অফিসার বিবাহিত হলেও নিজের বউকে ডিভোর্স দিয়ে তাঁকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেয়। অভিযোগ দায়েরের পর কানপুরের ডিসিপি ও অ্যাডিশনাল ডিসিপি অর্চনা সিং আইআইটি ক্যাম্পাসে গিয়ে নির্যাতিতার সঙ্গে কথাও বলেন।
সিট গঠন করে মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ হাতে এলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে খবর। কানপুরের ডিসিপি অঙ্কিতা শর্মা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এসিপি-র বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত যাতে প্রভাবিত না হয়, সে জন্য অফিসারকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে শহরের বাইরে অন্য পদে বদলি করা হয়েছে।’
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন আইআইটি কানপুরের ডিরেক্টর মণীন্দ্র আগরওয়াল। রিসার্চ স্কলারের পাশে থেকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।