Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার

'১.২৫ কোটি হিন্দু লড়াইয়ে নামলে…', বাংলাদেশ নিয়ে বড় দাবি আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের

দেশের অভ্যন্তরীণ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভাগবত জনসংখ্যার পরিবর্তন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, অতীতে সরকার এই বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি।

'১.২৫ কোটি হিন্দু লড়াইয়ে নামলে…', বাংলাদেশ নিয়ে বড় দাবি আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের

মোহন ভাগবত

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 8 February 2026 13:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে (Bangladesh Hindu) থাকা প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ হিন্দু যদি নিজেদের অধিকার রক্ষায় লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে বিশ্বের সর্বত্র থাকা হিন্দুরা (Hindu) তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন। সংখ্যালঘুর উপর হামলার ঘটনায় কড়া বার্তা আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের (RSS chief Mohan Bhagwat)।

মুম্বইয়ে (Mumbai) আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত দু'দিনের বক্তৃতামালার দ্বিতীয় দিনে রবিবার এই মন্তব্য করেন ভাগবত। ‘সংঘের শতবর্ষের যাত্রা: নতুন দিগন্ত’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল ওরলির নেহরু সেন্টারে। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আরএসএস প্রধান বলেন, “বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ হিন্দু রয়েছেন। তাঁরা যদি সেখানে থেকেই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন, গোটা বিশ্বের হিন্দু সমাজ তাঁদের সহায়তা করবে।”

প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর, বিশেষত হিন্দুদের উপর, হিংসার ঘটনা বেড়েছে। ছাত্র আন্দোলনের নেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ। শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের পর ‘জুলাই অভ্যুত্থান’ নামে পরিচিত ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনের জেরে দেশজুড়ে অশান্তি ছড়ায়। সেই সুযোগে বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের বাড়ি, ব্যবসা ও উপাসনালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। একাধিক ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও পড়ুয়ার মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভাগবত জনসংখ্যার পরিবর্তন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, অতীতে সরকার এই বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি। জন্মহার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকে তিনি জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বদলের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। আরএসএস প্রধানের কথায়, “আগে সরকার যথেষ্ট পদক্ষেপ করেনি। জন্মহার ও অবৈধ অভিবাসন বড় কারণ। এখন সরকার ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে, তারা সফল হবেই।”

ভারতকে দুর্বল করার চেষ্টা হলে তার পরিণতি নিয়েও হুঁশিয়ারি দেন ভাগবত। তিনি বলেন, “এখন আর ভারতকে ভাঙা যাবে না। যারা ভারতকে ভাঙতে চাইবে, তারাই ভেঙে পড়বে।”

আরএসএসের অর্থসংস্থান নিয়েও এ দিন মুখ খোলেন তিনি। ভাগবতের দাবি, সংঘ কোনও কর্পোরেট বা প্রাতিষ্ঠানিক অনুদানের উপর নির্ভরশীল নয়। জানান, “আমাদের অর্থ আসে স্বয়ংসেবকদের কাছ থেকে। সফরে গেলে আমরা খাবার কিনি না, টিফিন চাই। হোটেলে না থেকে কর্মীদের বাড়িতেই থাকি।”

জাতপাত ও নেতৃত্ব প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন আরএসএস প্রধান। তাঁর বক্তব্য, সংঘে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে জাত কোনও বাধা নয়। ভাগবতের কথায় “যে কেউ আরএসএস প্রধান হতে পারেন। তফসিলি জাতি বা উপজাতি হওয়া অযোগ্যতা নয়, আবার ব্রাহ্মণ হওয়াও যোগ্যতা নয়। আমরা সব জাতির জন্য কাজ করি।” একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, আরএসএসের শুরু হয়েছিল মূলত ব্রাহ্মণ সমাজকে কেন্দ্র করেই।

সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় সংঘের কাজ নিয়েও কথা বলেন ভাগবত। তাঁর দাবি, সংঘ সেখানে সংঘাত এড়িয়ে চলার পথই বেছে নেয়। তিনি বলেন, “গালিগালাজ হলেও আমরা পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিই না। তাতে সংঘাত বাড়ে না।”

উল্লেখ্য, এর আগের দিন, অর্থাৎ শনিবার বক্তৃতার প্রথম দিনে ভাগবত বলেছিলেন, আরএসএস কারও বিরুদ্ধে নয় এবং ক্ষমতা দখলের রাজনীতিতেও বিশ্বাসী নয়। তাঁর কথায়, “সংঘের লক্ষ্য শুধু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা।” 


```