মোট ৮৩টি তেজস এমকে ওয়ান এ' কেনার চুক্তি হয়েছে। বিমানের মূল ক্ষমতাগুলি থাকলে সেগুলি প্রাধান্য পাবে। এর অন্যান্য কাজ শেষ হতে আরও একবছর সময় লাগতে পারে।

তেজস এমকে ওয়ান এ
শেষ আপডেট: 21 February 2026 21:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশীয় যুদ্ধবিমান তেজস এমকে ওয়ান এ (Tejas Mk1A) এবার দ্রুত হাতে পেতে চাইছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। বহুদিনের অপেক্ষার পর জট কাটতে চলেছে! কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং HAL-কে (Hindustan Aeronautics Limited) বিশেষ ছাড় দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। লক্ষ্য একটাই, আগামী অর্থবর্ষ থেকেই স্কোয়াড্রনে উড়বে অত্যাধুনিক তেজস (Tejas Fighter Jet)। তবে নির্মাণের গতি বাড়ালেও মূল ক্ষমতার মানদণ্ড কোনওভাবেই কমছে না।
বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, দ্রুত পাওয়ার জন্য বিমানের ফিচারের সঙ্গে কোনও সমঝোতা করা হবে না।
তেজসে এই ক্ষমতাগুলি থাকলে তবেই বিমান গ্রহণ করা হবে। সূত্রের খবর, এই ফিচারগুলি একেবারেই অপরিহার্য করা হয়েছে এবং এর ক্ষেত্রে কোনও ছাড় দেওয়া হয়নি। ইতিমধ্যে ফায়ারিং ট্রায়ালের বড় অংশ শেষ, সিস্টেম সার্টিফিকেশন চলছে।
মোট ৮৩টি তেজস এমকে ওয়ান এ' কেনার চুক্তি হয়েছে। বিমানের মূল ক্ষমতাগুলি থাকলে সেগুলি প্রাধান্য পাবে। এর অন্যান্য কাজ শেষ হতে আরও একবছর সময় লাগতে পারে।
HALজানিয়েছে, তেজস এমকে ওয়ান এ' তৈরিতে খুব একটা দেরি নেই। আসল সমস্যাটা হচ্ছে ডিজাইন ও সিস্টেম–সংক্রান্ত কাজের জায়গায়। এই অংশগুলোর দায়িত্ব যে ADA-র (Aeronautical Development Agency), তাদের করা সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন আর সার্টিফিকেশন কাজেই বেশি সময় লাগছে।
গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু সিস্টেমের সার্টিফিকেশন এখন শেষ ধাপে, এপ্রিলের মধ্যেই সব সম্পূর্ণ হয়ে যাবে, এমনটাই মনে করছে HAL।
এই সার্টিফিকেশন শেষ হলেই বায়ুসেনা নিজেদের মতো করে ‘অ্যাকসেপ্টেন্স ট্রায়াল’ শুরু করবে। বিমান হাতে নেওয়ার আগে এই পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। কয়েক সপ্তাহ ধরে এই ট্রায়াল চলতে পারে।
তেজস Mk1A প্রকল্প শুরু হয় ২০১৬ সালে, সেই সময় দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন মনোহর পারিকর। পরিকল্পনা ছিল, পুরনো তেজস আর ভবিষ্যতের তেজস এমকে ২-এর মাঝে ফাঁকটা ভরাট করার জন্যই এই মডেল তৈরি করা হবে।
২০২১ সালে চুক্তি হওয়ার পর থেকেই ডেলিভারি সময় নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। যদিও HAL এখন বলছে, তাদের কাছে ৫টি Tejas Mk1A সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে। এপ্রিল মাসেই এই পুরো প্রকল্পের বড়সড় রিভিউ হবে, যেখানে পরবর্তী পরিকল্পনা ঠিক করা হবে।