অধিবেশনের সূচনালগ্নের ভাষণে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনধারণের মান উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রশংসা করেন।

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতো আধুনিক ট্রেন চালু করা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার উদ্যোগকেও তিনি সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন।
শেষ আপডেট: 28 January 2026 11:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংসদে শুরু হল কেন্দ্রীয় বাজেট অধিবেশন ২০২৬–২৭। অধিবেশনের সূচনালগ্নের ভাষণে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনধারণের মান উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রশংসা করেন। তাঁর কথায়, আয়ুষ্মান ভারত-সহ নানা সামাজিক প্রকল্পে উপকৃত হয়েছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ। রাষ্ট্রপতি বলেন, মোদী সরকার কেবল সামাজিক কল্যাণেই নয়, পরিকাঠামো উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতো আধুনিক ট্রেন চালু করা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার উদ্যোগকেও তিনি সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন।
অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, এই সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে পেরে আমি আনন্দিত। গত বছরটি ভারতের দ্রুত অগ্রগতি ও ঐতিহ্যের উৎসব হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সারা দেশে ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে। এই মহান অনুপ্রেরণার জন্য দেশবাসী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। সংসদে এ নিয়ে বিশেষ আলোচনা আয়োজন করার জন্য আমি সকল সাংসদকে অভিনন্দন জানাই।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সামাজিক ন্যায়ের প্রশ্নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। বাজেট অধিবেশন শুরুর দিনে সংসদের দুই কক্ষে দেওয়া ভাষণে তিনি জানান, বর্তমানে প্রায় ৯৫ কোটি ভারতীয় নাগরিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন। সরকারের পরিকাঠামোগত অগ্রগতির খতিয়ান তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি।
২০২৬ সালকে ‘বিকশিত ভারত’-এর পথে যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিবর্ষ হিসেবে উল্লেখ করে দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, এই শতকের প্রথম ২৫ বছরের শেষ পর্বে ভারত বহু সাফল্য, গর্বের অর্জন এবং অসাধারণ অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছে। গত ১০-১১ বছরে দেশ প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের ভিত্তিকে আরও মজবুত করেছে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সংসদের ভাষণে VB G RAM G বিল–এর উল্লেখ করতেই সংসদে তীব্র হট্টগোল শুরু হয়।
বিরোধী দলের সাংসদরা সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। রাষ্ট্রপতি বলেন, এই বিলের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং এতে দুর্নীতির কোনও সুযোগ থাকবে না। তবে তাঁর এই দাবিকে ঘিরেই বিরোধী সাংসদরা আপত্তি তোলেন এবং সংসদের দুই কক্ষেই জোরাল কণ্ঠে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।