Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৪২-এ বেবি বাম্প নিয়েও ওয়েট লিফটিং! স্বামী বরুণের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে রোম্যান্স করিশ্মারIPL 2026: হেরেও শীর্ষে রাজস্থান! কমলা ও বেগুনি টুপি আপাতত কোন দুই তারকার দখলে? প্রকাশ্যে আয়-সম্পত্তির খতিয়ান, রাজ না শুভশ্রী! সম্পত্তির নিরিখে এগিয়ে কে? অ্যাপল ওয়াচ থেকে ওউরা রিং, কেন একসঙ্গে ৩টি ডিভাইস পরেন মুখ্যমন্ত্রী? নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণপ্রসবের তাড়াহুড়োয় ভয়াবহ পরিণতি! আশাকর্মীর গাফিলতিতে দু'টুকরো হল শিশুর দেহ, মাথা রয়ে গেল গর্ভেই২০ বছরের 'রাজ্যপাট'! ইস্তফা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ‘সুশাসন বাবু' নীতীশ কুমারের, উত্তরসূরির শপথ কবেমুম্বইয়ের কনসার্টে নিষিদ্ধ মাদকের ছড়াছড়ি! 'ওভারডোজে' মৃত্যু ২ এমবিএ পড়ুয়ার, গ্রেফতার ৫IPL 2026: ‘টাইগার জিন্টা হ্যায়!’ পাঞ্জাবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভাইরাল মিমের স্মৃতি উসকে দিলেন সলমন আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেফতারের পর এবার পরিবারের পালা! ইডির নজরে প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাই, তলব দিল্লিতেSakib Hussain: গয়না বেচে জুতো কিনেছিলেন মা, সেই ছেলেই আজ ৪ উইকেট ছিনিয়ে আইপিএলের নতুন তারকা

নভোচর শুভাংশুর মহাকাশযাত্রার খরচ ৫৩৮ কোটি টাকা! কেন এত ব্যয় করল ভারত?

এই মিশনের পর অ্যাক্সিয়ম স্পেসের লক্ষ্য আরও বড়। তারা তৈরি করতে চাইছে বিশ্বের প্রথম বেসরকারি মহাকাশ স্টেশন, যা আগামী দিনে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বিকল্প হতে পারে।

নভোচর শুভাংশুর মহাকাশযাত্রার খরচ ৫৩৮ কোটি টাকা! কেন এত ব্যয় করল ভারত?

শুভাংশু শুক্লা

শেষ আপডেট: 10 June 2025 09:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS) পাড়ি দিচ্ছেন ভারতীয় মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা (Shubhangshu Shukla)। তিনিই হবেন প্রথম ভারতীয় (Indian Astronaut) যিনি ইন্টার ন্যাশনাল স্পেশ (ISS)-এ গিয়ে থাকবেন এবং কাজ করবেন। তাঁকে পাঠাচ্ছে বেসরকারি সংস্থা অ্যাক্সিয়ম স্পেস। এই মিশনের খরচ পড়ছে প্রায় ৭০ মিলিয়ন ডলার—ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৫৩৮ কোটি টাকা!

ব্লু অরিজিন বা ভার্জিন গ্যালাক্টিকের তুলনায় অনেকটাই বেশি এই খরচ। তবু শুভাংশুকে পাঠাতে অ্যাক্সিয়মকেই বেছে নিয়েছে ভারত। কারণ এই সংস্থা শুধু মহাকাশে পাঠিয়েই ক্ষান্ত থাকে না, তার আগে বছরভর প্রশিক্ষণও দেয় মহাকাশচারীদের।

শুধু রকেটে চাপিয়ে মহাকাশে পাঠানো নয়। শুভাংশু শুক্লা প্রায় এক বছর ধরে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। নাসা, স্পেসএক্স, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ESA) ও জাপানের সংস্থা জাক্সা-র সঙ্গে মিলেই চলে এই প্রশিক্ষণ।

এই সময়ে ৭০০ থেকে ১,০০০ ঘণ্টা ধরে শেখানো হয় কীভাবে নিরাপদে মহাকাশযান চালাতে হয়, কীভাবে স্পেস স্টেশনে থাকতে হয়, কাজ করতে হয়, কীভাবে শরীর সুস্থ রাখতে হয়। অ্যাক্সিয়ম স্পেসের সিইও তেজপাল ভাটিয়া বলছেন, “এটা শুধু একটা রকেট টিকিট নয়। একেবারে পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা। যাঁরা অংশ নেন, তাঁদের অনেক কিছু শিখতে ও করতে হয়।”

ব্লু অরিজিন যেখানে মাত্র ১১ মিনিটের মহাকাশ সফর করায়, অ্যাক্সিয়ম সেখানে প্রায় ২ সপ্তাহ মহাকাশে থাকার ও গবেষণা করার সুযোগ দেয়।

কেন এত খরচ করল ভারত?
এই প্রোজেক্টে শুধু ভারত নয়, পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরিও অংশ নিচ্ছে। নিজেরা নিজেদের মতো করে মহাকাশ কর্মসূচি তৈরি না করেই কম খরচে অন্তরীক্ষের অভিজ্ঞতা নিতে চাইছে অনেক দেশ।

তেজপাল ভাটিয়া বলছেন, “সরকারের কাছে এই খরচ বিরাট কিছু নয়। যেমন আমেরিকার অ্যাপোলো প্রজেক্টে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছিল।”

আগামী লক্ষ্য: বেসরকারি মহাকাশ স্টেশন
এই মিশনের পর অ্যাক্সিয়ম স্পেসের লক্ষ্য আরও বড়। তারা তৈরি করতে চাইছে বিশ্বের প্রথম বেসরকারি মহাকাশ স্টেশন, যা আগামী দিনে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বিকল্প হতে পারে।

তেজপাল ভাটিয়ার মতে, “মহাকাশ আর পৃথিবী একে অপরের বিরোধী নয়। বরং মহাকাশে পৌঁছোনোর মধ্যেই ভবিষ্যতের পথ খুঁজছে মানবজাতি।”


```