Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
West Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্ল

জয় বন্দে ভারত, ১৫ ঘণ্টার পথ কাটল ২৮ ঘণ্টায়, ৯০০ কিমির যাত্রা শেষ ১৪০০ কিমি ঘুরপথে

সামান্য ত্রুটির কারণে এর চালিকা সংস্থা ভারতীয় রেলের মুখ পুড়ল।

জয় বন্দে ভারত, ১৫ ঘণ্টার পথ কাটল ২৮ ঘণ্টায়, ৯০০ কিমির যাত্রা শেষ ১৪০০ কিমি ঘুরপথে

সাবরমতী-গুরগাঁও বন্দে ভারতের নির্ধারিত পথ হল ৮৯৮ কিমি।

শুভেন্দু ঘোষ

শেষ আপডেট: 8 October 2025 18:45

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গালভরা প্রচারের বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের কুলমান দুই গেল। একটি সামান্য ত্রুটির কারণে এর চালিকা সংস্থা ভারতীয় রেলের মুখ পুড়ল। সাবরমতী-গুরগাঁও বন্দে ভারত স্পেশালের ১,৪০০ কিমি যাত্রাপথ গিয়ে দাঁড়াল ২৮ ঘণ্টার হাঁসফাঁস করা প্রাণান্তকর জার্নিতে। সাবরমতী-আজমির-জয়পুর-গুরগাঁও যাওয়ার ১৫ ঘণ্টার রাস্তা গিয়ে দাঁড়াল ২৮ ঘণ্টার পথে।

সাবরমতী-গুরগাঁও বন্দে ভারতের নির্ধারিত পথ হল ৮৯৮ কিমি। যার নির্ধারিত সময় হচ্ছে ১৫ ঘণ্টা। কিন্তু, যাত্রা শুরুর পর মাত্র ৬০ কিমি এসেই মেহসানার কাছে থামে ট্রেন। কারণ, এরপরে যাওয়ার মতো প্রযুক্তির কাজ পরবর্তী রেলপথে শেষ করা হয়নি। তাই এই সেমি হাইস্পিড ট্রেন ওই রেলের উপর দিয়ে যেতে পারবে না।

নির্ধারিত যে রুটে ট্রেনটির যাওয়ার কথা, পশ্চিম রেলের সেই এলাকায় উঁচু দিয়ে গিয়েছে ওভারহেড বৈদ্যুতিক তার। এই বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে ৭.৪৫ মিটার উঁচুতে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সাধারণ সাড়ে ৫ মিটার উচ্চতার চেয়ে অনেক উঁচুতে। কারণ এই রেলপথ দিয়ে যায় দ্বিগুণ উঁচুর পণ্যবাহী কন্টেনার। সেই হিসাব কষেই বাঁধা রয়েছে বিদ্যুৎ পরিবাহী তার। ফলে এই পথ দিয়ে যেতে গেলে ট্রেনের প্যান্টোগ্রাফও সমান উচ্চতার হতে হবে। কিন্তু, বন্দে ভারতের প্যান্টোগ্রাফ তা ছিল না। এর সাধারণ প্যান্টোগ্রাফের উচ্চতা বিদ্যুতের তার স্পর্শ করতে পারেনি।

ফলে ট্রেনটি মেহসানায় থেমে যাওয়ার পরেই টনক নড়ে রেল কর্তৃপক্ষের। হুটোপুটি শুরু হয়ে যায় তাহলে ট্রেন নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছবে কীভাবে? ফলে একমাত্র বুদ্ধি বেরয় ট্রেনটিকে ঘুরপথে গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া। তখন বন্দে ভারত ট্রেনটিকে আমদাবাদ, উদয়পুর, কোটা, জয়পুর ও মথুরা ঘুরিয়ে গন্তব্যে এনে ফেলা হয়। হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন আধিকারিকরা। এই পথ পেরোতে সময় লেগে যায় ২৮ ঘণ্টা। যেতে হয় প্রায় ১৪০০ কিমির বেশি পথ।

এই ঘটনায় স্বভাবতই অস্বস্তিতে পড়ে যায় রেল কর্তৃপক্ষ। সরকারিভাবে জানানো হয়, টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে এটা হয়েছে। আগেই এটা চেক করে নেওয়া উচিত ছিল। আসলে যাত্রী ও অন্যান্যদের মত, মাঠে নামার আগে দেখে নেওয়া উচিত ছিল, কোন মাঠে কত জল।


```