প্রসঙ্গত, সোমবার ইস্তফা দেন জগদীপ ধনকড়। যা নিয়ে সরকারের অন্দরে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র অস্বস্তি। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয় তারা। রাজনৈতিক মহলের অনুমান, তাঁর পদত্যাগ শুধুমাত্র স্বাস্থ্যগত কারণে নয়। তাঁর আচরণে অসন্তুষ্ট কেন্দ্রীয় সরকার। সেই চাপেই হয়ত ইস্তফার সিদ্ধান্ত।

জগদীপ ধনকড় (ফাইল ছবি)
শেষ আপডেট: 23 July 2025 18:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হঠাৎ করেই দেশের উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জগদীপ ধনকড়। স্বাস্থ্যের কারণ দেখিয়ে সোমবার পদত্যাগ করেন তিনি। কিন্তু মঙ্গলবার কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়, ধনকড়ের ইস্তফার পিছনে রয়েছে গভীর কারণ, যা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজ।
সূত্রের খবর, ইস্তফার রাতেই নিজের জিনিসপত্র গোছাতে শুরু করে দেন ধনকড়। যদিও সরকারিভাবে তাঁর পদত্যাগ গ্রহণ করা হয়েছে মঙ্গলবার। সরকারি সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই ভাইস প্রেসিডেন্ট এনক্লেভ ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু করে দেন বলে জানা যাচ্ছে।
প্রায় ১৫ মাস আগে, ২০২৪-এর এপ্রিলে তিনি এই নতুন বাসভবনে উঠেছিলেন। সংসদ ভবন চত্বরের পাশেই চার্চ রোডের এই আধুনিক ভবনটি সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের আওতায় তৈরি। সেখানে উপরাষ্ট্রপতির বাসভবন এবং দফতর, দুই-ই ছিল। সেই বাসভবনই এখন ছাড়তে চলেছেন তিনি।
প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন বিরোধী দলের একাধিক নেতা। কিন্তু সময় মেলেনি বলেই দেখা করা সম্ভব হয়নি। সোমবারই দেখা করার জন্য সময় চেয়েছিলেন শিব সেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী)-র নেতা সঞ্জয় রাউত এবং এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার। তাঁদেরও সময় দেওয়া হয়নি বলে খবর।
প্রসঙ্গত, সোমবার রাজ্যসভায় ধনকড়ের নেতৃত্বে ঘটে একাধিক চমকপ্রদ ঘটনা। এরপরই তাঁর ইস্তফা নিয়ে সরকারের অন্দরে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র অস্বস্তি। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয় শাসকদল। তাতেই রাজনৈতিক মহলের অনুমান, তাঁর পদত্যাগ শুধুমাত্র স্বাস্থ্যগত কারণে নয়। তাঁর আচরণে অসন্তুষ্ট কেন্দ্রীয় সরকার। সেই চাপেই হয়ত ইস্তফার সিদ্ধান্ত।
জল্পনা বাড়িয়ে, মঙ্গলবার আবার চিদম্বরম বলেন, “সীমা লঙ্ঘন করেছিলেন, সরকারের আস্থা হারিয়েছিলেন।”
৭৪ বছর বয়সি এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক ২০২২ সালের অগস্টে উপরাষ্ট্রপতির পদে নির্বাচিত হন। তাঁর কার্যকালের মেয়াদ ছিল ২০২৭ সাল পর্যন্ত। কিন্তু তার অনেক আগেই দায়িত্ব ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তিনি। কেন? সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এখনও অধরা। তবে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা।