মহারাষ্ট্রের নাসিক এবং নাগপুরের দুই বিডিও সিএসডিএসের কো-ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 21 August 2025 10:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোট সমীক্ষা-সহ নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণার জন্য ভারত জোড়া খ্যাতি দিল্লির সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ ডেভেলপিং সোসাইটিস বা সিএসডিএস-এর। ওই সংস্থার লোকনীতি প্রকল্পের প্রধান কাজ হল ভোটের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করা। মহারাষ্ট্রের নাসিক এবং নাগপুরের দুই বিডিও সিএসডিএসের কো-ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। তাঁদের অভিযোগ সঞ্চয় কুমার মহারাষ্ট্রের ভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর পরিসংখ্যান দিয়ে কমিশনের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করেছেন।
একই সময়ে ভারত সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কাউন্সিল অফ সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ সঞ্জয় কুমারদেস সংস্থাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে। তাতে তারা বলেছে, কমিশনের মর্যাদাহানীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেন সিএসডিএসের অনুদান বন্ধ করে দেওয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, রাহুল গান্ধী মহারাষ্ট্র বিধানসভার ভোটে।কারচুপির যে অভিযোগ করেছেন তার অনেকটাই সিএসডিএসের তৈরি রিপোর্টের ভিত্তিতে। স্বভাবতই সিএসডিএস কর্ণধারের ভুল স্বীকার এবং তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর বিরোধীদের তোলা ভোট চুরির অভিযোগকে কিছুটা লঘু করে দিতে পারে। রাহুল অভিযোগ করেন, মহারাষ্ট্রে গত বছর বিধানসভা ভোটের আগে অস্বাভাবিক সংখ্যায় ভোটারের নাম নথিভুক্ত করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি।
সিএসডিএসের কো-চেয়ারম্যান সঞ্জয় গত মঙ্গলবার এক্স পোস্টে দেশবাসীর উদ্দেশে ক্ষমা চান মহারাষ্ট্র নিয়ে ভুল তথ্য পরিসংখ্যান পেশ করায়। তিনি বলেন, তাদের ডেটা টিমের ভুলে মহারাষ্ট্রের ভোট নিয়ে সিএসডিএসের পর্যালোচনা রিপোর্টে কিছু ভুল থেকে গিয়েছে। এজন্য ক্ষমাপ্রার্থী।
আশ্চর্যজনক হল, এরপরই নাসিক ও নাগপুরের দুই ইলেকটোরাল রেজিষ্ট্রেশন অফিসার তথা বিডিও থানায় সঞ্জয় কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। আটকে দেওয়া হতে পারে তাদের সরকারি অনুদানও।