আমদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের, পাইলট সুমিত সাবরওয়ালের বাবা সুপ্রিম কোর্টে স্বচ্ছ ও স্বাধীন তদন্তের আবেদন জানালেন।

আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত দুই পাইলট
শেষ আপডেট: 16 October 2025 16:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জুনে আমদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় কমপক্ষে ২৭০ জনের। এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ভেঙে পড়ে টেকঅফের পরই। এই নিয়ে বহু কাটাছেঁড়া হয়েছে জুন মাস থেকে। দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে পাইলটদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন পর্যন্ত তুলেছেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে স্বচ্ছ ও স্বাধীন তদন্তের আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন সুমিত সাবরওয়ালের বাবা পুষ্কর রাজ সাবরওয়াল। তাঁর সঙ্গে শীর্ষ আদালতে একই আবেদন জানিয়েছে ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান পাইলটসও।
'কোর্ট মনিটরড কমিটি' গঠনের দাবি করা হয়েছে আবেদনে, যাতে সুপ্রিম কোর্টেরপ্রাক্তন বিচারক নেতৃত্ব দেবেন এবং অ্যাভিয়েশন ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। তারা আশ্বাস দিয়েছেন, এতে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত হবে।
পুষ্কর রাজ সাবরওয়াল অভিযোগ করেছেন, বর্তমান সরকারের তদন্তের দৃষ্টি শুধু পাইলটদের উপর কেন্দ্রীভূত এবং এটি প্রযুক্তিগত বা প্রক্রিয়াগত ত্রুটিগুলি পর্যাপ্তভাবে খতিয়ে দেখছে না। তিনি বলেছেন, 'এয়্যারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB) বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বচ্ছতার অভাবে যথেষ্ট নয়। পূর্ববর্তী তদন্ত বন্ধ করে সমস্ত প্রমাণ নতুন বিচারাধীন তদন্তে হস্তান্তর করা উচিত।'
আমদাবাদ থেকে ওড়ার পর বিমানের ইঞ্জিনের ফুয়েল সুইচ 'রান' থেকে 'কাটঅফ' অবস্থায় চলে গিয়েছিল। প্রাথমিক ককপিট ভয়েস রেকর্ডিং অনুযায়ী, ক্যাপ্টেন সুমিত সাবরওয়াল ইঞ্জিনে ফুয়েল বন্ধ করেছিলেন, তবে পরিবার ও পাইলট ইউনিয়ন দাবি করছে, শুধু পাইলটকে দায়ী করা যথেষ্ট নয়; প্রযুক্তিগত ও প্রক্রিয়াগত ত্রুটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এখন তো পাইলটের আর কিছু বলার জায়গা নেই।
সুপ্রিম কোর্ট এখনও এই মামলাটি নেয়নি। এই আবেদনের মাধ্যমে পরিবার ও পাইলট সম্প্রদায় সরকারের কাছে আরও স্বচ্ছতা এবং দায়িত্বশীলতার দাবিতে চাপ সৃষ্টি করেছেন।