
সুপ্রিম কোর্ট
শেষ আপডেট: 22 April 2024 17:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গের মতো টাকার বিনিময়ে শিক্ষকের চাকরি পাওয়ার ঘটনা দেশের অনেক রাজ্যেই আছে। তারমধ্যে সাড়া ফেলে দেওয়া ঘটনা হরিয়ানায়।
সেখানে শিক্ষক দুর্নীতির মামলায় জেল হয় মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌতালার। তাঁর বিরুদ্ধেই শিক্ষকদের থেকে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলায় দশ বছর জেল খেটেছে জামিনে মুক্ত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চৌতলা ও তাঁর পুত্র।
সেই মামলাতেই টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের বরখাস্ত করার রায় দেয় পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্ট। আদালত নিয়ম ভেঙ্গে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের বেতন ফেরত দিতে বলে।
হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে দীর্ঘদিন আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি রক্ষা হয় বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের। শীর্ষ আদালত প্রথমে হাইকোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে।
পরে শীর্ষ আদালতে শিক্ষকদের তরফে বলা হয় তাঁরা পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন, তাঁদের যোগ্যতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন হাইকোর্ট তোলেনি। ফলে তাঁদের চাকরিতে বহাল রাখা হোক।
শীর্ষ আদালত বরখাস্ত শিক্ষকদের চাকরি বহাল রাখে যদিও মামলাটি এখনও চলছে।
ঘটনাটি ২০০০ সালের। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী তখন ছিলেন ওম প্রকাশ চৌতালা। অভিযোগ ছিল, তাঁর নির্দেশেই শিক্ষা দফতর মেরিট লিস্ট বদলে দিয়েছিল। সিবিআই তদন্তে মুখ্যমন্ত্রীর যোগ থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
রাজ্যের হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়া সব শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিলেও ডিভিশন বেঞ্চ বলে নতুন মেরিট লিস্ট তৈরি করতে। তাতে বরখাস্ত শিক্ষকদেরও সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। ফলে বহু শিক্ষকের চাকরি রক্ষা হয়। বাকিরা সুপ্রিম কোর্টে গেলে শীর্ষ আদালত সকলের চাকরি বহাল রাখে। তবে মামলার নিষ্পত্তি হয়নি।