দেশের বিরোধী দলনেতা রাহুলের বিস্ফোরক অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ মন্তব্য বলে ব্যাখ্যা করেছে কমিশন। এদিনই রাহুল কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ আনেন।

রাহুলের অভিযোগ, কমিশনের এসব কাজ হচ্ছে শাসকদল বিজেপির সুবিধা করিয়ে দেওয়া।
শেষ আপডেট: 1 August 2025 16:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগ খণ্ডন করে ভারতের নির্বাচন কমিশন শুক্রবার কড়া জবাব দিল। দেশের বিরোধী দলনেতা রাহুলের বিস্ফোরক অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ মন্তব্য বলে ব্যাখ্যা করেছে কমিশন। এদিনই রাহুল কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ আনেন। কমিশন বিশাল মাপের ভোটার প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলা হয়েছে, আমরা এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ উপেক্ষা করি। প্রতিদিন যে ভিত্তিহীন অভিযোগ একের পর এক তোলা হচ্ছে, তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না কমিশন।
আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিন বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সব নির্বাচনী আধিকারিকদের, যাঁরা অবাধ, মুক্ত ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে নির্বাচনী কাজ করে চলেছেন, তাঁদের এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যে কান না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা এদিন এর আগে নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি চাঁদমারি করে বলেছিলেন, কমিশন সরাসরি ভোট চুরিতে যুক্ত।
বিহারের বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনী প্রসঙ্গে রাহুলের অভিযোগ, কমিশনের এসব কাজ হচ্ছে শাসকদল বিজেপির সুবিধা করিয়ে দেওয়া। প্রসঙ্গত, বিহারের বিশেষ সংশোধিত তালিকা প্রকাশ নিয়ে বিরোধী দলগুলি একজোট হয়েছে। কারণ, নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে যে, এরপর তা গোটা দেশে কার্যকর হবে। শুক্রবার এই ইস্যুতে রাজ্যসভা ও লোকসভা উত্তাল হয়ে ওঠে।
সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বিহারের প্রায় ৬০ লক্ষের কাছাকাছি নাম বাদ গিয়েছে। এ বিষয়ে কারও আপত্তি বা সংযোজনের বিষয় থাকলে তা একমাসের মধ্যে সেরে ফেলতে হবে। এই তালিকা সংশোধনী নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও বেশ কয়েকটি আবেদন জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে বিহারের ভোটার তালিকা হলেও একযোগে বিরোধীরা কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ওরফে বিজেপির বিরুদ্ধে আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছে।