কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিহার ভোটের পরপরই রাজ্য ধরে ধরে শুরু হতে চলেছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। যার জন্য রাজ্যগুলির মতামত নেওয়ার জন্য আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বিশেষ বৈঠক ডেকেছে কমিশন।

বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও অন্য কমিশনাররা।
শেষ আপডেট: 6 September 2025 18:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারের বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনের বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিহার ভোটের পরপরই রাজ্য ধরে ধরে শুরু হতে চলেছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। যার জন্য রাজ্যগুলির মতামত নেওয়ার জন্য আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বিশেষ বৈঠক ডেকেছে কমিশন।
সূত্র জানিয়েছে, ১০ সেপ্টেম্বর দেশের সব মুখ্য নির্বাচনী অফিসারকে দিল্লিতে বৈঠকে ডাকা হয়েছে। সেখানে এনিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও অন্য কমিশনাররা। প্রসঙ্গত, বিহারে ভোটের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিজেপির উপর খড়্গহস্ত হয়েছে বিরোধী দলগুলি।
আরজেডি, কংগ্রেস তো বটেই, বাম দলগুলি, তৃণমূল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি এর বিরোধিতা করে চলেছে। সকলেরই অভিযোগ, বেছে বেছে বিরোধীদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। মূলত কেন্দ্রের শাসকদল আগামী ভোটগুলিতে বিশেষ সুবিধা নিতেই কমিশনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ তুলেছে দলগুলি।
উল্লেখ্য, এ বছর বিহার ছাড়াও আগামী বছর ভোট রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতে। সূত্র জানাচ্ছে, বিহারের পর কমিশন দেশজুড়েই বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চালাবে। যাকে কেন্দ্র করে ইন্ডিয়া ও এনডিএ জোটের দ্বৈরথ চরমে চড়তে পারে।
এর আগেই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী কমিশনের বিরুদ্ধে অ্যাটম বোমা ফাটিয়ে ভোটচুরির অভিযোগ এনেছিলেন। তার পরপরই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তামিল ডিএমকে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনার সরব বিরোধিতা করতে শুরু করেন। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো সরাসরি ধমকি দিয়ে রেখেছেন যে, একটিও বৈধ ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়লে দিল্লিতে সেই বিক্ষোভ ছড়াবে।