ওই বিদ্যালয়ের ১২০ জন পড়ুয়ার মধ্যে ৮০ জনের পরিবার হুমকি দিয়েছেন, এই নিয়ম অব্যাহত থাকলে তাঁরা স্কুল থেকে ছেলেমেয়েকে আর স্কুলে পাঠাবেন না। ইতিমধ্যেই একাধিক পরিবার ট্রান্সফার সার্টিফিকেটের (TC) আবেদন জানিয়ে দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 24 July 2025 13:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মধ্যাহ্নভোজে ডিম পরিবেশন করা হবে স্কুলে, এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কর্নাটকের মাণ্ড্য জেলার এক সরকারি বিদ্যালয়। আর তাতেই তীব্র আপত্তি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দাবি, বিদ্যালয়ের পাশেই রয়েছে বীরভদ্রেশ্বর স্বামীর মন্দির। মন্দির সংলগ্ন এলাকায় ডিম কিংবা কোনও আমিষ রান্না করা তাঁদের ধর্মবিশ্বাসে আঘাত হানবে।
ফলে, ওই বিদ্যালয়ের ১২০ জন পড়ুয়ার মধ্যে ৮০ জনের পরিবার হুমকি দিয়েছেন, এই নিয়ম অব্যাহত থাকলে তাঁরা স্কুল থেকে ছেলেমেয়েকে আর স্কুলে পাঠাবেন না। ইতিমধ্যেই একাধিক পরিবার ট্রান্সফার সার্টিফিকেটের (TC) আবেদন জানিয়ে দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
এক অভিভাবক বলেন, 'আমরা ডিম দেওয়া বন্ধ করতে বলেছি। আগে কয়েকজনকে ডিম এবং বাকিদের জন্য কলা বা চিক্কি দেওয়া হতো। ডিমগুলো রান্না না করে কর্মীদের বাড়ি নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। হঠাৎ করে আমাদের না জানিয়ে স্কুলে ডিম রান্না শুরু হয়েছে। এটা মানা যায় না।'
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, সরকারের নির্দেশ মেনেই ডিম পরিবেশন শুরু হয়েছে। এক জন পড়ুয়া ডিম চাইলে সেটি সরবরাহ করতে হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, 'ডিম খাচ্ছে কি না সেসব না ভেবে পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবুন। স্কুলে পড়াশোনা সবচেয়ে জরুরি।'
এই ঘটনায় বিপাকে পড়েছে শিক্ষা দফতরও। গোটা পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতিমধ্যেই বৈঠক ডাকার কথা ঘোষণা করেছেন মাণ্ড্য জেলা ইনচার্জ মন্ত্রী চেলুভারায়া স্বামী। তিনি বলেন, 'শিক্ষা দফতর, স্কুল প্রধান এবং অভিভাবকদের নিয়ে বৈঠক হবে। সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করা হবে।'