ইডি (ED) সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই প্রতারণার অভিযোগ আসছিল। তদন্তে নেমে দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরুর সাতটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় তদন্তকারীদের বিভিন্ন দল।
.jpg.webp)
দেড় কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি
শেষ আপডেট: 1 June 2025 01:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইন গেমিং প্রতারণা চক্রের (Online Gaming Scam) জাল। তিন রাজ্যে অভিযান চালিয়ে দেড় কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)।
ইডি (ED) সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই প্রতারণার অভিযোগ আসছিল। তদন্তে নেমে দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরুর সাতটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় তদন্তকারীদের বিভিন্ন দল। প্রতারণা চক্রের সঙ্গে পাঞ্জাব এবং সিন্ধ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন অফিসারও জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ। ২০০২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অধীনে এই তল্লাশি চালায় ইডি। ৩৯ লক্ষ টাকা নগদ, একাধিক মোবাইল ফোন, গেমিংয়ের জন্য ব্যবহৃত সিম কার্ড এবং ডিজিটাল ও ডকুমেন্টারি নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
৪৮ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট (Bank Account) সিজ করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে দেড় কোটি টাকার সম্পত্তি। এই অ্যাকাউন্টগুলি অবৈধ টাকা লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা হত বলে জানতে পেরেছে তদন্তকারীরা। ব্যাঙ্ক অফিসার দেবাংশু শেখর মিশ্র সহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। ইডির অনুমান, অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রায় ২৪ কোটি টাকার প্রতারণা করেছে অভিযুক্তরা। দেবাংশু শেখর মিশ্রর আড়াই কোটি টাকার সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
অনলাইন গেমিং প্রতারণা চক্রে (Online Gaming Scam) প্রায়ই গ্রেফতারির খবর উঠে আসে। কয়েকমাস আগেই গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে নিউটাউন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল দশ জনকে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে দুবাই যোগ পেয়েছিল নিউটাউন থানার পুলিশ।
প্রযুক্তি যুগে অনলাইন গেমের প্রটি আসক্তি বেড়েছে যুব সমাজের। আর তার জেরে নিঃস্ব হয়েছেন অনেকেই। কোটি কোটি টাকার প্রতারণা হয় সেকেন্ডের মধ্যেই। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট টাকা দিয়ে গেম ডাউনলোড করতে হয়। প্রথমদিকে জেতা টাকা ফুরিয়ে গেলে পরে যখন টাকার অঙ্ক বাড়িয়ে গেম খেলা শুরু করেন, তখনই প্রতারণার ফাঁদ পেতে দেওয়া হয়। টাকা তুলতে গেলে সংস্থার তরফে দেখানো নয় নানা অজুহাত।