নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির পক্ষ থেকে পাওয়া অনুরোধ এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এসআইআরের এই কাজের নির্ধারিত সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 16 January 2026 11:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (West Bengal SIR) সংক্রান্ত অভিযোগ-নিষ্পত্তির সময়সীমা বাড়ল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। সময়সীমা বাড়ানো হল আরও ৪ দিন। আগামী ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত অভিযোগ থাকলে জানানো যাবে কমিশনে। শুক্রবার বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি ২০২৬-কে যোগ্যতার তারিখ ধরে চলা এই সংশোধন প্রক্রিয়ায় দাবি ও আপত্তি জানানোর শেষ দিন বাড়িয়ে ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ করা হয়েছে। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা এই বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal), গোয়া, লাক্ষাদ্বীপ, রাজস্থান এবং পুদুচেরির মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (CEO) কাছে।
কী বলা হয়েছে কমিশনের চিঠিতে
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির পক্ষ থেকে পাওয়া অনুরোধ এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এসআইআরের (SIR) এই কাজের নির্ধারিত সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভোটার তালিকায় (SIR Voter List) নাম সংযোজন, সংশোধন বা বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ আরও কিছুটা সময় পাবেন।
কমিশনের নির্দেশে আরও বলা হয়েছে -
সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিটি অবিলম্বে রাজ্য গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশ করতে হবে।
সেই বিজ্ঞপ্তির তিনটি কপি নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হবে।
দাবি ও আপত্তি জানানোর সময়সীমা বৃদ্ধির বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

কড়া নির্দেশ আধিকারিকদের জন্য
চিঠিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সমস্ত আধিকারিককে সংশোধিত সময়সূচি কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দিতে হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া যাতে নির্ধারিত নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব থাকবে রাজ্যের নির্বাচন দফতরের ওপর।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্ব
ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন পক্ষের অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের মাঝেই নির্বাচন কমিশনের এই সময়সীমা বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন প্রশাসনিক মহলের একাংশ। কারণ, এতে দাবি ও আপত্তির সুযোগ আরও বিস্তৃত হল বলে মত তাঁদের।
এখন নজর থাকবে, এই বাড়তি সময়ের মধ্যে কতটা স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্নভাবে ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।