এর আগেও ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় পলাতক হিসেবে পুলিশের খাতায় তার নাম ছিল। এবারও একই ধরনের নৃশংসতায় অভিযুক্ত সে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 4 October 2025 14:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশ জুড়ে মা দুর্গার আরাধনা চলেছে ন'দিন ধরে। সাড়ম্বরে নবরাত্রি পালন করেছেন মানুষ। নবমীর দিনই মহারাষ্ট্রের থানে (Maharashtra Thane) এলাকায় এক ছ'বছরের নাবালিকার ভয়াবহ ধর্ষণ-খুনের ঘটনা সামনে এসেছে।
পুলিশের জানানো খবর অনুযায়ী, ভিওয়ান্ডি শহরে ১ অক্টোবর ঘটেছে এই নৃশংসতা। অভিযুক্ত ৩৩ বছর বয়সি একজন পাওয়ারলুম (যান্ত্রিক তাঁত) শ্রমিক। এর আগেও ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় পলাতক হিসেবে পুলিশের খাতায় তার নাম ছিল। এবারও একই ধরনের নৃশংসতায় অভিযুক্ত সে।
প্রতিবেশী সাত বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণ করে ওই ব্যক্তি। তারপর গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করে তাকে। শিশুটির দেহ বস্তায় ভরে নিজের ঘরে লুকিয়ে রেখে পালিয়ে যায় সে।
জানা গিয়েছে, শিশুটি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল শৌচকর্মের জন্য। কিন্তু বাড়ি ফেরেনি। তার বাবা-মা খোঁজাখুঁজি শুরু করতে দেখে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ছোট বালতিটা অভিযুক্তের ঘরের বাইরে রাখা। দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করলে দেখা যায় শিশুটির দেহ লুকিয়ে রাখা হয়েছে বস্তায়।
থানায় অভিযোগ জানানোর পর পুলিশের তৎপরতায় সেই রাতেই ধরা পড়ে অভিযুক্ত। সূত্রের খবর, বিহারের মধুবনী জেলায় পালানোর চেষ্টা করছিল সে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ২০২৩ সালেও ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা করেছিলেন। তখন তাকে গ্রেফতার করে থানে সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয়েছিল। ২০২৫ সালের অগস্টে আদালতে হাজিরার সময় তিনি পালিয়ে যান। কয়েক দিন আগে আবার নির্যাতিতা নাবালিকার এলাকায় এসে থাকছিল সে।
স্থানীয় পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইন–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেছে।