পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত মহিলার নাম সোনাল। শিশুটি ছিল সোনালের বান্ধবী রশ্মির কন্যাসন্তান। সোনাল সম্প্রতি তাঁর প্রেমিক নিখিলের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্ক (Live in Relationship) ছিন্ন করে রশ্মির সঙ্গে এক বাড়িতে থাকতে শুরু করেন।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 8 July 2025 20:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের হাড়হিম করা জোড়া খুনের (Double Murder Case) ঘটনা দিল্লিতে। মজনু কা টিলা এলাকায় মঙ্গলবার এক তরুণী ও ছয় মাসের এক শিশুর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়। দুইজনকেই ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে মৃতার প্রাক্তন প্রেমিকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত মহিলার নাম সোনাল। শিশুটি ছিল সোনালের বান্ধবী রশ্মির কন্যাসন্তান। সোনাল সম্প্রতি তাঁর প্রেমিক নিখিলের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্ক (Live in Relationship) ছিন্ন করে রশ্মির সঙ্গে এক বাড়িতে থাকতে শুরু করেন।
আরও জানা যায়, সম্পর্ক না থাকলেও গত কয়েকদিন ধরেই সোনাল ও নিখিলের মধ্যে তীব্র অশান্তি চলছিল। ঘটনার দিন রশ্মি বাইরে গিয়েছিলেন। ছয় মাসের শিশুকে নিয়ে বাড়িতে একাই ছিলেন সোনাল। পুলিশের অনুমান, সেই সুযোগেই অভিযুক্ত নিখিল ওই বাড়িতে ঢুকে পড়ে। অভিযোগ, সোনালকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়। তারপর নির্মমভাবে খুন করে ছয় মাসের শিশুটিকেও। খুন করে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায় সে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিভিল লাইনস থানার পুলিশ, ফরেনসিক ইউনিট ও ক্রাইম ব্রাঞ্চের দল। শুরু হয়েছে তদন্ত। সমস্ত সম্ভাব্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই খবর পুলিশ সূত্রের। দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এখনও পর্যন্ত তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে, বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছে কর্তৃপক্ষ।
মাত্র চারদিন আগেই রাজধানীতে ঘটে গিয়েছে একটি নৃশংস ঘটনা। লাজপত নগরে কুপিয়ে খুন করা হয় এক মহিলা ও তাঁর নাবালক পুত্র সন্তানকে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই বাড়ির পরিচালক তথা ড্রাইভার মুকেশ পাসওয়ান এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যে সাড়ে ৭টা নাগাদ সেওয়ানি পরিবারের বাড়িতে ঢোকে অভিযুক্ত মুকেশ। সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না রুচিকার (নিহত মহিলা) স্বামী কুলদীপ সেওয়ানি। অভিযোগ, অভিযুক্ত প্রথমে বেডরুমে ঢুকে রুচিকাকে খুন করে। গোটা ঘটনাটি দেখে ফেলে ছেলে কৃষ। সে তখন বাথরুমে লুকানোর চেষ্টা করলেও রেহাই পায়নি, সেখানেই তাকে কুপিয়ে খুন করে মুকেশ।
খুনের পরদিন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ উত্তরপ্রদেশের মুঘলসরাই স্টেশন থেকে মুকেশ পাসওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়। বিহারে পালানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর। পুলিশ তাকে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন স্টেশনে ধরে ফেলে। জেরায় নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছে মুকেশ।