পণ-নির্যাতনের জেরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার (Noida Dowry Death) অভিযোগ উঠেছিল গ্রেটার নয়ডার (Greater Noida) বাসিন্দা বিপিন ভাটির বিরুদ্ধে।

হাসপাতালের বেডে শুয়ে বিস্ফোরক দাবি অভিযুক্তের
শেষ আপডেট: 24 August 2025 15:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পণ-নির্যাতনের জেরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার (Noida Dowry Death) অভিযোগ উঠেছিল গ্রেটার নয়ডার (Greater Noida) বাসিন্দা বিপিন ভাটির বিরুদ্ধে। সেই অভিযুক্তরই শনিবার পুলিশের এনকাউন্টারে গুলি লাগে (Noida cops shoot dowry death accused in leg)। ধৃতকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে হাসপাতালের বিছানা থেকেই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন বিপিন। তাঁর কথায়, “আমি ওকে খুন করিনি। নিজেই মারা গিয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয়, খুবই সাধারণ ব্যাপার।”
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রমাণ সংগ্রহের জন্য অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় বিপিন পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তখনই পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। তাঁর পায়ে গুলি লাগে।
#WATCH | Greater Noida: Accused of murdering his wife Nikki over dowry demands, Vipin Bhati says, "... I have no remorse. I haven't killed her. She died on her own. Husband and wife often have fights, it is very common..." pic.twitter.com/YrPFaYARuY
— ANI (@ANI) August 24, 2025
এর আগে বৃহস্পতিবার ভয়াবহ ঘটনায় স্ত্রীর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিপিনের বিরুদ্ধে। ৯ বছরের বিবাহিত জীবন শেষে মাত্র ২৮ বছর বয়সেই নৃশংস পরিণতির শিকার হন নিক্কি। ভয়াবহ ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, রক্তাক্ত অবস্থায় স্বামীর হাতে মার খাচ্ছেন নিক্কি। পরের মুহূর্তেই আগুনে জ্বলতে জ্বলতে সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসছেন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয় দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে। তবে শেষরক্ষা হয়নি। মারা যান নিক্কি।
হৃদয়বিদারক ঘটনার সাক্ষী থেকেছে দম্পতির ছোট্ট ছেলেও। পুলিশের কাছে সে জানায়, “বাবা প্রথমে মাকে চড় মারে, তারপর লাইটার দিয়ে আগুন ধরায়।”
নিক্কির বোন কাঞ্চনও অভিযোগ তুলেছেন, তাঁর দিদিকে শাশুড়ি ও স্বামী মিলে পুড়িয়ে মেরেছে। তিনি নিজেও একই বাড়িতে থাকেন, স্বামীর (বিপিনের ভাই) সঙ্গে। তাঁর দাবি, দুই বোনকেই নিয়মিত পণের জন্য চাপ দেওয়া হত। ৩৬ লক্ষ টাকারও দাবি জানিয়েছিল শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
নিক্কির বাবা বিকহারি সিং পৈলা ক্ষোভে ফেটে পড়ে বলেন, “ওরা খুনি। এদের গুলি করে মারা হোক, বাড়ি ভেঙে দেওয়া হোক। মেয়ে পার্লার চালিয়ে ছেলেকে মানুষ করছিল। অথচ ওদের চক্রান্তে খুন হতে হল আমার মেয়েকে।”
নিক্কির মৃত্যুর পর পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে বিপিন। তবে তাঁর বাবা-মা এবং ভাই এখনও ফেরার।