বিবৃতি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই অ্যালার্ট অপারেশনস ট্রান্সমিশন (AOT) পাঠিয়ে বিশ্বজুড়ে অপারেটরদের সাবধান করা হয়েছে। এই সতর্কবার্তার ভিত্তিতেই ইউরোপীয় বিমান নিরাপত্তা সংস্থা EASA জরুরি এয়ারওয়র্থিনেস ডিরেক্টিভ জারি করতে চলেছে।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 29 November 2025 11:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতীয় আকাশপথের সুরক্ষা বৃদ্ধিতে বড়সড় নির্দেশ জারি করল ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (DGCA)। এয়ারবাসের সতর্কবার্তার পর A318, A319, A320 এবং A321 সিরিজের একাধিক মডেলে বাধ্যতামূলক পরিদর্শন ও পরিবর্তন চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিজিসিএ (DGCA) জানিয়েছে, উল্লিখিত বিমানগুলির জন্য দেওয়া সংশ্লিষ্ট শর্ত পূরণ না হলে কোনও অপারেটর উড়ান চালাতে পারবেন না।
এয়ারবাসের দাবি, তীব্র সৌর বিকিরণে A320 পরিবারের বহু বিমানে ফ্লাইট-কন্ট্রোল সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ ডেটা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এই কারণে জরুরি সফটওয়্যার আপডেট (Software Update) বা হার্ডওয়্যার সুরক্ষার প্রয়োজন বলে প্রস্তুতকারী সংস্থা জানিয়েছে। সংস্থার বিবৃতি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই অ্যালার্ট অপারেশনস ট্রান্সমিশন (AOT) পাঠিয়ে বিশ্বজুড়ে অপারেটরদের সাবধান করা হয়েছে। এই সতর্কবার্তার ভিত্তিতেই ইউরোপীয় বিমান নিরাপত্তা সংস্থা EASA জরুরি এয়ারওয়র্থিনেস ডিরেক্টিভ জারি করতে চলেছে।
কোন কোন এয়ারবাস মডেল নির্দেশের আওতায়?
ডিজিসিএ-র নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে A319, A320 এবং A321 পরিবারের বিস্তৃত মডেলগুলি, যার মধ্যে রয়েছে:
A319 সিরিজ: A319-11, -113, -114, -131, -132, -133, -151N, -153N, -171N, -173N
A320 সিরিজ: A320-211, -212, -214, -215, -216, -231, -232, -233, -251N, -252N, -253N, -271N, -272N, -273N
A321 সিরিজ: A321-211, -212, -213, -231, -232, -251N, -252N, -253N, -251NX, -252NX, -253NX, -271N, -272N, -271NX, -272NX
সব মিলিয়ে বিস্তৃত A320 পরিবারই (A320 Family) মূলত এই বাধ্যতামূলক পরিদর্শনের আওতায় এসেছে।
দেশে বর্তমানে প্রায় ৫৬০টি এয়ারবাস A320-ফ্যামিলি বিমান রয়েছে। এর মধ্যে ২০০ থেকে ২৫০টি বিমানকে অবিলম্বে আপডেট বা হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে বলে সূত্রের দাবি। এই পরিস্থিতিতে ইন্ডিগো ও এয়ার ইন্ডিয়া দুই সংস্থাই জানিয়েছে, সফটওয়্যার আপগ্রেডের সময় উড়ান দেরি, পুনর্বিন্যাস বা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।
এয়ারবাস জানায়, বেশিরভাগ বিমানে সফটওয়্যার আপডেট করতে কয়েক ঘণ্টাই যথেষ্ট। কিন্তু প্রায় ১ হাজার বিমান রয়েছে, যেগুলিতে কাজের সময় লাগবে কয়েক সপ্তাহ। স্বাভাবিকভাবেই, এই বিলম্বে আরও বাড়বে শিডিউল জট।