দক্ষিণ দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিসিপি) অঙ্কিত চৌহান বৃহস্পতিবার এক সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থাকে জানান, চক্রটি একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করত।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 29 August 2025 18:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্তঃরাজ্য মোবাইল ছিনতাই ও পাচার চক্রের চক্রান্ত ভেস্তে দিল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police busts inter-state racket)। এই অভিযানে মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৩০০-রও বেশি চুরি হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
দক্ষিণ দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিসিপি) অঙ্কিত চৌহান বৃহস্পতিবার এক সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থাকে জানান, চক্রটি একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করত। পকেটমারির পর চুরি হওয়া মোবাইল ফোন পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো হতো এবং সেখান থেকে বাংলাদেশে পাচার করা হতো।
ডিসিপি চৌহান বলেন, "আমরা এক আন্তঃরাজ্য গ্যাংকে ভেঙে দিয়েছি যারা মোবাইল ছিনতাই ও পাচারের সঙ্গে জড়িত। মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৩০০-রও বেশি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। পকেটমারির পর মোহাম্মদ মুজাহির নামের এক ব্যক্তি এই ফোনগুলো পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে সে মোহাম্মদ খালিদের সঙ্গে দেখা করে, যে ফোনগুলো বাংলাদেশে নিয়ে গিয়ে অবৈধভাবে পাচার করে।"
তিনি আরও জানান, এই পাচারের মূল কারণ হল প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা। ভারতে কোনও মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে বলে রিপোর্ট হলে সেটি সরকারের সেন্ট্রাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (CEIR)-এ ব্লক করে দেওয়া হয়। ফলে ফোনটি আর ভারতে ব্যবহার করা যায় না।
ডিসিপি চৌহান বলেন, "একবার কোনও মোবাইল চুরি বলে রিপোর্ট হলে আমরা CEIR-এ সেটি ব্লক করে দিই। তখন সেটি আর ভারতের কোথাও ব্যবহার করা যায় না। এই প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে ফাঁকি দিতে মোবাইল বাংলাদেশে পাচার করে দেওয়া হয়, যাতে সেগুলো সেখানে ব্যবহার করা যায়।"
এদিকে, বুধবার দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ আরেকটি অভিযানে এক ভুয়া ভিসা চক্র ভেঙে দেয়। এই চক্র নেপালের নাগরিকদের প্রতারণা করে, সার্বিয়ায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডেপুটি কমিশনার বিক্রম সিং জানান, এই মামলায় দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তবে আরও দু'জন অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশের সাইবার সেল একটি অনলাইন বিনিয়োগ প্রতারণা চক্রের হদিশ পায় (Delhi Police busts inter-state racket)। এই চক্র ভুয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি স্কিম দেখিয়ে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিত। এই অভিযানে মূল মাস্টারমাইন্ডসহ তার সহযোগীদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।