Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

৫৫ বছরে ১৭তম সন্তানের জন্ম, নজির গড়ে স্বাস্থ্য দফতরকে চিন্তায় ফেললেন রাজস্থানের রেখা

রেখার সাম্প্রতিক প্রসব সংবাদমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে শুধু তাঁর বয়স বা সন্তানের সংখ্যার জন্য নয়, বরং পরিবারের চরম দারিদ্র্য এবং সংগ্রামের কারণেও।

৫৫ বছরে ১৭তম সন্তানের জন্ম, নজির গড়ে স্বাস্থ্য দফতরকে চিন্তায় ফেললেন রাজস্থানের রেখা

ফাইল ছবি

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 29 August 2025 17:03

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজস্থানের উদয়পুরের ঝাড়োলের এক কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে মঙ্গলবার ৫৫ বছরের রেখা জন্ম দেনন তাঁর ১৭তম সন্তানের। রেখার বারবার মা হওয়া এবং একের পর এক গর্ভধারণের ঘটনা রাজস্থানের স্বাস্থ্য দফতরকে চিন্তায় ফেলেছে। কর্মকর্তাদের মতে, রাজস্থানের দক্ষিণ অংশের আদিবাসী গ্রামগুলিতে অস্বাভাবিক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ এ রকম একাধিক গর্ভধারণ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, উদয়পুরের লিলাবাস গ্রামের বাসিন্দা রেখা এবং তাঁর স্বামী কাভারা গালবেলিয়ার মোট ১৭টি সন্তান হয়েছে। তবে এর মধ্যে পাঁচটি সন্তান, চার ছেলে এবং এক মেয়ে জন্মের পরেই মারা যায়। বর্তমানে জীবিত রয়েছে তাঁদের ১২টি সন্তান, যার মধ্যে সাত ছেলে এবং পাঁচ মেয়ে।

তবে রেখার সাম্প্রতিক প্রসব সংবাদমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে শুধু তাঁর বয়স বা সন্তানের সংখ্যার জন্য নয়, বরং পরিবারের চরম দারিদ্র্য এবং সংগ্রামের কারণেও।

এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেখা- কাভারা দম্পতি দিন গুজরান করেন ভাঙারি কুড়িয়ে বিক্রি করে। সংসারের সবার একসঙ্গে থাকার মতো ঘরও তাঁদের নেই। সংসারের আয়ে খাওয়া-পরার ব্যবস্থা হয় না। কাভারা নিজে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সংসার চালাতে তিনি ২০ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হয়েছেন।

রেখার মেয়ে শীলা গালবেলিয়াও তাঁদের দুর্দশার কথা বলেছেন, 'আমাদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়। মার এতগুলো সন্তান শুনে সবাই অবাক হয়ে যায়।

অত্যাধিক গর্ভধারণ এবং প্রসবজনিত ঝুঁকির কারণেই স্বাস্থ্য দফতর বলছে, দক্ষিণ রাজস্থানের আদিবাসী গ্রামগুলিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে বড় বাধা হল মহিলাদের একাধিকবার মা হওয়া। এতে শুধু মাতৃস্বাস্থ্য নয়, নবজাতকেরও ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

ঝাড়োল কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ রোশন দরাঙ্গি জানিয়েছেন, রেখাকে যখন ভর্তি করা হয়, তখন পরিবার জানিয়েছিল এ তাঁর চতুর্থ সন্তান। পরে জানা যায়, এটাই আসলে তাঁর ১৭তম সন্তান। আর এই নিয়েই চিন্তায় সকলে। 


```