বৃহস্পতিবার থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে (work from home Delhi)। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এই ওয়ার্ক ফ্রম হোম এবং ক্ষতিপূরণ প্রকল্পের আওতায় পড়বেন না।

শেষ আপডেট: 17 December 2025 15:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভয়াবহ বায়ুদূষণের পরিস্থিতিতে জরুরি পদক্ষেপ করল দিল্লি (Delhi pollution measures)। সরকারি ও বেসরকারি, দু’ধরনের সংস্থার জন্যই ৫০ শতাংশ কর্মীর জন্য বাধ্যতামূলক ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করেছে সরকার (work from home Delhi)। বৃহস্পতিবার থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে, জানানো হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান (GRAP)-এর তৃতীয় ও চতুর্থ স্তরের (Stage III ও IV) আওতায়। দিল্লির শ্রমমন্ত্রী কপিল মিশ্র জানান, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল প্রতিদিনের যাতায়াত কমানো এবং তার মাধ্যমে যানবাহনজনিত দূষণ নিয়ন্ত্রণে আনা (Delhi air quality crisis management)।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কাজ হারানো শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিপূরণ
তবে এই কড়া বিধিনিষেধে যে বহু মানুষের জীবিকা প্রভাবিত হচ্ছে, তা স্বীকার করেছেন শ্রমমন্ত্রী। সর্বভারতীয় এক সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, যেসব নির্মাণশ্রমিক কাজ হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য সরকার ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে (construction workers compensation)।
কপিল মিশ্র জানান, গত ১৬ দিন ধরে GRAP-এর তৃতীয় স্তর কার্যকর রয়েছে, যার জেরে একাধিক কাজ বন্ধ থাকায় বহু শ্রমিক রোজগার করতে পারেননি। সেই ক্ষতি পুষিয়ে দিতেই এই আর্থিক সহায়তার সিদ্ধান্ত।
কারা এই সুবিধা পাবেন না?
সর্বভারতীয় এক সংবাদসংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এই ওয়ার্ক ফ্রম হোম এবং ক্ষতিপূরণ প্রকল্পের আওতায় পড়বেন না। এর মধ্যে রয়েছে,
মন্ত্রী আরও বলেন, GRAP-এর চতুর্থ স্তর (Stage IV) যতদিন চালু থাকবে, ততদিনের জন্যও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের একইভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
এই আর্থিক সহায়তা শুধুমাত্র সরকারের কাছে নথিভুক্ত শ্রমিকদের দেওয়া হবে। বর্তমানে শ্রমিকদের নথিভুক্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
আম আদমি পার্টিকে কটাক্ষ, রাজনীতি করার অভিযোগ
দূষণ পরিস্থিতি নিয়ে আম আদমি পার্টি (AAP)-র প্রতিবাদ কর্মসূচির তীব্র সমালোচনা করেন কপিল মিশ্র। তাঁর অভিযোগ, দূষণের মতো গুরুতর সমস্যা নিয়েও রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে আপ।
সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেন, “ওঁদের মুখ্যমন্ত্রী এই সময় এলেই শহর ছেড়ে পালাতেন। আর আমাদের মুখ্যমন্ত্রী রাস্তায় নেমে পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন। ওরা নোংরা রাজনীতি করছে। দূষণের দায় আমাদের ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে, অথচ ৩০ বছরের সমস্যা পাঁচ মাসে মুছে ফেলা যায় না।”