
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
শেষ আপডেট: 12 November 2025 15:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুদিনের ভুটান সফর শেষ করে বুধবার দেশে ফিরেই বিকেলে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন বিকেল সাড়ে ৫টায় নিরাপত্তা ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে পৌরোহিত্য করবেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগেই বিস্ফোরণে আহতদের দেখতে লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতালে জখমদের সঙ্গে কথা বলেই এক এক্সবার্তায় সেই ছবিগুলি পোস্ট করে মোদী লিখেছেন, এই চক্রান্তের পিছনে যারা জড়িত, তারা কেউ পার পাবে না। আমি দিল্লি বিস্ফোরণে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।
বিস্ফোরণের ঘটনায় মোদী মঙ্গলবারই ভুটানের এক অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে দোষীদের সাবধান করে দেন। বলেন, যে বিস্ফোরণ হয়েছে, তার ষড়যন্ত্রের শিকড় খুঁজে বের করা হবে। এর নেপথ্যে চক্রান্তকারী যারা রয়েছে তাদের কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। মোদী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে সরকার। আমাদের এজেন্সি ঘটনার গভীরে গিয়ে তদন্ত করবে। দিল্লির ঘটনায় আমরা সবাই ব্যথিত। পীড়িতদের কথা আমি বুঝতে পারছি। স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি, সমস্ত দোষীদের কাঠগড়ায় এনে দাঁড় করানো হবে।
Went to LNJP Hospital and met those injured during the blast in Delhi. Praying for everyone’s quick recovery.
Those behind the conspiracy will be brought to justice! pic.twitter.com/HfgKs8yeVp— Narendra Modi (@narendramodi) November 12, 2025
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) স্পষ্ট নির্দেশ দেন— এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে খুঁজে বের করতে হবে। এক্স-এ তিনি লেখেন, দিল্লির গাড়ি বিস্ফোরণ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে খুঁজে বের করা হোক। দোষীরা কেউই ছাড় পাবে না। এজেন্সিগুলি কঠোরতম পদক্ষেপ নেবে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও (Rajnath Singh)। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে বলেন, এই ঘটনার নেপথ্যে যারা আছে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কঠোরতম শাস্তিই তাদের প্রাপ্য। সরকার এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। দেশের শীর্ষ তদন্তকারী সংস্থাগুলি দ্রুত ও নিখুঁতভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। খুব শিগগিরই তদন্তের ফলাফল জনসমক্ষে আনা হবে।
তদন্তে জানা যাচ্ছে, দেশের বড় বড় শহরে হামলার পরিকল্পনা ছিল। সেই জন্য কয়েক মাস ধরেই বিস্ফোরক মজুত করা হচ্ছিল। তবে হয়তো তাড়াহুড়ো বা ভুলবশত আগেই বিস্ফোরণ ঘটে যায়, যার ফলে আরও বড় বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছে। বিস্ফোরণের পর থেকেই লালকেল্লা এলাকায় কড়া নিরাপত্তা জারি রয়েছে।