কাশ্মীর সহ উত্তর ভারতে সরকারিভাবে শীতের প্রবেশ হয়ে গিয়েছে।

মঙ্গলবার ভোর থেকেই দিল্লির আকাশে ছিল ধোঁয়া-কুয়াশার চাদর।
শেষ আপডেট: 14 October 2025 11:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গে কালীপুজোর আগেই লাজুক লাজুক শীত ঢুকে পড়েছে। কাশ্মীর সহ উত্তর ভারতে সরকারিভাবে শীতের প্রবেশ হয়ে গিয়েছে। ঠিক তেমনভাবেই দেশের রাজধানী শহর দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকা শীতের উদ্বোধনেই ফি-বছরের মতো বায়ুদূষণের কবলে পড়েছে। দেওয়ালিতে পরিবেশ বান্ধব বাজি পোড়ানো নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে, তখন মঙ্গলবারই সেই আমোদে কাঁটা বিছালো বায়ুদূষণের সূচক।
বেশ কিছুদিন ধরে বর্ষাকালীন দূষণের মাত্রা নীচের দিকে থাকার স্বস্তি কাটিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে দিল্লি ও লাগোয়া এনসিআর এলাকায় দূষণ ‘মন্দ’ স্তরে নেমে এসেছে। তার মধ্যে আনন্দ বিহার আরও একধাপ নেমে ‘অতি মন্দ’ স্তরে পৌঁছেছে। দেওয়ালির এক সপ্তাহ আগেই দিল্লির বায়ুদূষণের মাত্রা নামতে থাকায় অনেকে সন্দেহের চোখে তাকাতে শুরু করেছেন যে, শীত আরও জাঁকিয়ে চেপে বসলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে।
এদিন সকালে দিল্লির বাতাসে দূষণের সূচক ছিল ২০১। ১১ জুনের পর এটাই মরশুমের প্রথম খারাপ সূচক স্পর্শ করল রাজধানী। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দিল্লির বাতাসের মান খারাপ স্তরে থাকবে ১৪ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত। আগামী অন্তত সপ্তাহখানেক বাতাসে দূষণের মাত্রা খারাপ থেকে অতি খারাপে থাকতে পারে।
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের স্কেল অনুযায়ী সোমবার সূচক ছিল মাঝারি মানের, ১৬৯-এ। সেটাই বেড়ে এদিন ২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সূচক অনুযায়ী ০-৫০ পর্যন্ত হল ‘উত্তম’। ৫১-১০০ হল ‘সন্তোষজনক’। ১০১-২০০ পর্যন্ত সূচককে ‘মধ্যম’। ২০১-৩০০-র মধ্যে থাকলে তা ‘মন্দ’। ৩০১-৪০০ হচ্ছে ‘অতি মন্দ’ এবং ৪০১-৫০০ হল ‘বিপজ্জনক’ স্তরের দূষণমাত্রা।
দূষণ বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু কেটে যাওয়াতেই দিল্লিতে দূষণের মাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। এদিন ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ দূষণের সূচক ছিল ২০০-র বেশি।