ইফতিকার ওরফে শয়তান ১২টি নামে পরিচিত ছিল। তার বিরুদ্ধে খুন ও ডাকাতির অন্তত ১৯টি মামলা ছিল।

গুলি বিনিময়ের সময় স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপের হেড কনস্টেবল রাহুল গুলিবিদ্ধ হয়ে জখম হয়েছেন।
শেষ আপডেট: 9 October 2025 11:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের ত্রাস ‘দুর্ধর্ষ দুশমন’ ‘শয়তান’কে বৃহস্পতিবার ভোরে গুলি করে নিকেশ করল পুলিশ। ইফতিকার ওরফে শয়তান ১২টি নামে পরিচিত ছিল। তার বিরুদ্ধে খুন ও ডাকাতির অন্তত ১৯টি মামলা ছিল। পুলিশ হেফাজত থেকে ২০১২ সালে সে পালিয়ে যায়। তারপর থেকেই পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল। এদিন ভোর নাগাদ বরেলির ভোজিপুরা এলাকায় গুলির লড়াইয়ে তার মৃত্যু হয়। গুলি বিনিময়ের সময় স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপের হেড কনস্টেবল রাহুল গুলিবিদ্ধ হয়ে জখম হয়েছেন।
বরেলির এসএসপি জানান, এসওজির দল ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ নৈনিতাল হাইওয়ের উপর বিলওয়া ব্রিজের কাছে ঘিরে ফেলে ইফতিকারকে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেতেই শয়তান গুলি চালাতে শুরু করে। প্রায় ১৭টি গুলি চালায় সে। পুলিশের গুলিতে ঘায়েল হয়ে সে মাটিতে পড়ে গেলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় শয়তানের। তার এক সঙ্গী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সাত জেলায় তার বিরুদ্ধে ১৯টি মামলা ঝুলছিল। তার মধ্যে খুন ও ডাকাতির মতো গুরুতর অপরাধ ছিল। পুলিশের খাতায় তার অন্তত এক ডজন নাম ও পাঁচটি বিভিন্ন ঠিকানা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বাইক, একটি পিস্তল, ৩২ বোরের ১৭টি গুলি, দুটি ম্যাগাজিন এবং কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করেছে। হিন্দি সংবাদমাধ্যম দৈনিক ভাস্কর এসএসপি অনুরাগ আর্যকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, পলাতক শাগরেদের খোঁজ চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, শয়তানের প্রথম নাম ছড়ায় ২০০৬ সালে। ফরিদাবাদের পাচৌমি মন্দিরের এক পুরোহিতকে খুন করে ডাকাতির ঘটনায়। তাকে গ্রেফতার করা হলেও ২০১২ সালে বরাবাঁকিতে পুলিশি হেফাজত থেকে সে পালিয়ে যায়। ২০২০ সালে ফের তাকে গ্রেফতার করা হয়। তারপরেও সে ফের পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল।