সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের পর শিশুটির বাবা তাঁর সন্তানকে ফেরত নিয়ে যেতে চান। কিন্তু নাতিকে ছাড়তে নারাজ ৭৪ বছরের বৃদ্ধা। এদিকে মা রাজি না হওয়ায় হাইকোর্টে (Bombay High Court) মামলা করেন শিশুটির বাবা।
.jpg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 5 September 2025 18:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবেগের সম্পর্ক থাকলেও দাদু-ঠাকুমা কখনওই নাতি-নাতনির 'অভিভাবক' হতে পারবেন না কিংবা তাদের অধিকার দাবি করতে পারেন না। সম্প্রতি এক মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের (Bombay High Court)।
পাঁচ বছরের এক শিশুকে জন্ম থেকেই দেখভাল করছিলেন তাঁর ঠাকুমা (Grand Parents)। শিশুটির যমজ ভাই ছিল তার বাবা-মায়ের কাছে, যে সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত। কিন্তু সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের পর শিশুটির বাবা তাঁর সন্তানকে ফেরত নিয়ে যেতে চান। কিন্তু নাতিকে ছাড়তে নারাজ ৭৪ বছরের বৃদ্ধা। এদিকে মা রাজি না হওয়ায় হাইকোর্টে (Bombay High Court) মামলা করেন শিশুটির বাবা।
আদালতে ঠাকুমা দাবি করেন, তিনি জন্ম থেকেই শিশুটিকে মানুষ করেছেন। তাদের মধ্যে গভীর আবেগের বন্ধন রয়েছে। তবে বিচারপতি রবীন্দ্র ঘুগে ও গৌতম অঁখাদের বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানায়, আবেগের কারণে জন্মদাতা বাবা-মায়ের অধিকার খর্ব করা যায় না।
আদালত বলেছে, বাবা-মায়ের কাছ থেকে হেফাজত কেবল তখনই কেড়ে নেওয়া যায়, যখন প্রমাণ হয় শিশুর কল্যাণ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই ঘটনায় তেমন কিছু দেখা যায়নি। শিশুর বাবা শহরের নাগরিক সংস্থায় চাকরি করেন এবং পরিবার শিশুর যত্ন নেওয়ার মতো সক্ষম।
বম্বে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, ঠাকুমাকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নাতিকে বাবার হাতে তুলে দিতে হবে। তবে আদালত এও জানিয়েছে, শিশুর বাবা-মা ঠাকুমাকে দেখা করার সুযোগ দেবেন। আদালতের ভাষায়, শিশুর কল্যাণই হেফাজতের মামলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।