বিধানসভা ভোটে দল ও জোটের ফলাফল নিয়ে ময়নাতদন্ত করতে এদিন জরুরি আলোচনা সারেন খাড়্গে।
.jpeg.webp)
বিহারে ভোটের ফলের পর রাহুল গান্ধী ভোটচুরি ও অস্বচ্ছ ভোটের অভিযোগ এনেছেন।
শেষ আপডেট: 15 November 2025 12:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারে দলের ভরাডুবির পরদিনই শনিবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এক জরুরি বৈঠক ডাকেন। খাড়্গের দিল্লির বাসভবনে রুদ্ধদ্বার ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। দলের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল ও প্রবীণ নেতা অজয় মাকেনও ওই পর্যালোচনা বৈঠকে ছিলেন। বিহারের ভোটফলে এনডিএ বিরোধীদের মহাগাঁটবন্ধনকে একেবারে পিষে দেওয়ার পর ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ ও কংগ্রেসের লাগাম নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তার আগেই বিধানসভা ভোটে দল ও জোটের ফলাফল নিয়ে ময়নাতদন্ত করতে এদিন জরুরি আলোচনা সারেন খাড়্গে।
প্রসঙ্গত, বিজেপি এবারের ভোটে ২০২০ সালের তুলনায় ৭৪টি থেকে বাড়িয়ে ৮৯টি আসনে জিতেছে। নীতীশ কুমারের জেডিইউ ৪৩ থেকে ৮৫ আসনে জিতেছে। অন্যদিকে, আরজেডি ৭৫ থেকে কমে ২৫-এ নেমে এসেছে। কংগ্রেসকে ৬১টিতে লড়াই করে মাত্র ৬টি আসনেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। আগেরবার কংগ্রেসের হাতে ছিল ১৯ জন বিধায়ক।
বিহারে ভোটের ফলের পর রাহুল গান্ধী ভোটচুরি ও অস্বচ্ছ ভোটের অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, সর্বভারতীয় বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লকে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করা হবে। গণতন্ত্র রক্ষায় আরও কার্যকরী প্রয়াস করতে হবে। উল্লেখ্য, এই অবস্থায় বিশেষ করে কংগ্রেসের মুখরক্ষা হয়, এমন একটি পদক্ষেপ এখনই জরুরি। কারণ দলের কাছে এবং কর্মী-সমর্থকদের ভাবমূর্তি রক্ষা করাই এই মুহূর্তে প্রধান কর্তব্য। সে কারণেই এই জরুরি বৈঠক বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকেই শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। সেই অধিবেশনে বিহার বিধানসভা ভোট নিয়ে সভা সরগরম হতে পারে। তার আগেই কংগ্রেস অভ্যন্তরীণ রণকৌশল ছকে রাখতে চলেছে। কারণ, কংগ্রেসের একমাত্র অস্ত্র ভোটচুরি, সংবিধানের অধিকার রক্ষা এবং দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ড। সেখানে রাহুল গান্ধীর সাংগঠনিক ব্যর্থতা নিয়ে কংগ্রেসকে চাপে রাখবে শাসক জোট। সব মিলিয়ে কংগ্রেস বেশ মানসিক চাপের মধ্যেই রয়েছে। তাই প্রধানত কর্মীদের বিশেষ বার্তা দেওয়ার আগে খাড়্গে তাঁর বাড়িতে গুটিকতক নেতাকে নিয়ে রণনীতি তৈরি করে ফেললেন বলে অনুমান রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।