কংগ্রেস সূত্রের খবর, মাস তিন সময় দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে। তারমধ্যে পরিস্থিতি সামলাতে না পারলে গদি হারাতে হতে পারে, এমন স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে প্রবীণ মুখ্যমন্ত্রীকে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে কর্নাটকের মানুষ।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 26 June 2025 15:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাজ্যের দাবি দাওয়া জানাতে দিল্লি গিয়েছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া (Karnataka CM Siddaramaiah)। এই সুযোগে তাকে দলীয় দফতরে ডেকে সতর্ক করে দিল কংগ্রেস হাইকমান্ড। কংগ্রেসের (Congress) অন্দরের খবর, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল বেশ কড়া ভাষাতেই মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছেন, সবাইকে নিয়ে চলুন। দুর্নীতির অভিযোগগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করুন।
কংগ্রেস সূত্রের খবর, মাস তিন সময় দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে। তারমধ্যে পরিস্থিতি সামলাতে না পারলে গদি হারাতে হতে পারে, এমন স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে প্রবীণ মুখ্যমন্ত্রীকে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে কর্নাটকের মানুষ। কংগ্রেস হাইকমান্ড রাজ্যে কংগ্রেসের বিবাদ থামাতে তাই বাড়তি তৎপর।
কর্নাটকে (Karnataka) আসলে কংগ্রেসের সমস্যা কংগ্রেসই। দুই প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এবং জনতা দল সেকুলার কার্যত হাত গুটিয়ে আছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের একাধিক বিধায়ক সরকারের কাজকর্ম নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হয়েছেন।
আশ্চর্যের হল, বিগত বিজেপি (BJP) সরকারের সময়ে যেভাবে সরকারি দফতরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল সেই একই পরিস্থিতি ফিরে এসেছে কংগ্রেস জমামায়। কমিশন ছাড়া কাজ।হয় না, এমন অভিযোগ মুখো মুখে শোনা যেত। মন্ত্রী, অফিসারের দাবি মতো ঘুষ না দেওয়ায় চাপের মুখে ঠিকাদার, ব্যবসায়ীদের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।।
আগের জমামার সঙ্গে আরও মিল হল, তখনও সরব হয়েছিল মূলত বিজেপির অন্দরর লোকজন
দলের মেতা মন্ত্রীদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। সেই সঙ্গে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেন জেরবার ছিল দল। ভোটের আগে দল ছাড়েন বহু নেতা।
কংগেস হাইকমান্ড এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে দলের ভাঙন ঠেকাতে তৎপর। এমনীতেই উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডি শিবকুমারের বিরোধ বহুদিনের। আড়াই বছরের মাথায় শিবকুমারকে মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়ার দাবি মানেননি সিদ্দারামাইয়া। প্রবীণ নেতাকে এ নিয়ে চাপ দেয়নি কংগ্রেস হাইকমান্ড। কখন সিদ্দারামাইয়ার সরকারের বিরুদ্ধে দলের অন্দর থেকে অভিযোগ উঠতে শুরু করায় দল তাঁকে কড়া বার্তা দিল।