কমার্শিয়াল এলপিজি সিলিন্ডারের টানে চাপ পড়ছে রেল ক্যাটারিং পরিষেবায়। বিকল্প হিসেবে মাইক্রোয়েভ ও ইন্ডাকশনে রান্নার নির্দেশ দিল আইআরসিটিসি।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 12 March 2026 12:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাণিজ্যিক এলপিজি (Commercial LPG) সিলিন্ডারের টান এবার প্রভাব ফেলতে শুরু করল রেল পরিষেবাতেও। জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ট্রেনে খাবার পরিষেবা (Onboard Catering) চালু রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলল আইআরসিটিসি (IRCTC)। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ক্যাটারিং ইউনিটগুলোকে মাইক্রোওভেন (Microwave) এবং ইন্ডাকশনের (Induction Cooking) মতো বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পশ্চিম এশিয়ায় (West Asia) সাম্প্রতিক ঝামেলার জেরে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে ভারতে। এর প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহে। ফলে পরিবহণ-সহ একাধিক ক্ষেত্রেই বিকল্প পরিকল্পনা (Contingency Plan) নেওয়া শুরু হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে ট্রেনে খাবার পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্যে উদ্যোগ নিয়েছে আইআরসিটিসি (IRCTC)। ভারতীয় সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ফুড প্লাজা (Food Plaza), রিফ্রেশমেন্ট রুম (Refreshment Room) এবং ‘জন আহার’ (Jan Ahaar) পরিচালনাকারী সংস্থাগুলিকে বিকল্প রান্নার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। নির্দেশটি স্থায়ী রান্নাঘর (Static Kitchen) এবং ট্রেনের প্যান্ট্রি কার (Pantry Unit) — দুই ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যেখানে সম্ভব।
এছাড়াও ১০ মার্চ আইআরসিটিসির (IRCTC) পশ্চিমাঞ্চলীয় দফতরগুলিতে (West Zone Offices) একটি আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা (Directive) পাঠানো হয়েছে। বলা হয়েছে, এলপিজি সংকট আরও বাড়লে যাতে পরিষেবা চালু রাখা যায়, সে জন্য আগেভাগেই বিকল্প ব্যবস্থা সক্রিয় করতে হবে। প্রয়োজনে বিদ্যুৎচালিত রান্নার (Electric Cooking) জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে লাইসেন্সধারী ক্যাটারিং সংস্থাগুলিকে।
রেল কর্তৃপক্ষের মতে, যাত্রীদের চাহিদা মেটাতে রেডি-টু-ইট (Ready-to-eat) খাবারের পর্যাপ্ত মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যদিও এখনই ট্রেনে রান্না করা খাবার (Cooked Meals) বন্ধ করার কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কিছু রুটে সীমিতভাবে রান্না করা খাবার কমানো বা সাময়িকভাবে বন্ধ করার কথাও ভাবা হতে পারে বলে জানিয়েছে রেল সূত্র।
কর্তৃপক্ষের দাবি, যাত্রীদের সুবিধা (Passenger Convenience) যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, সেটাই এখন প্রধান লক্ষ্য। তাই বিকল্প রান্নার ব্যবস্থা মূলত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ (Preventive Measure)। পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।