কিন্নৌর জেলার নিগুলসারির কাছে ৩৫ নম্বর জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অতি ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসে একাধিক এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। উত্তরাখণ্ডের ধারালিতে মঙ্গলবার এক ব্যাপক হড়পা বানে বহু মৃত্যুর খবরের সঙ্গেই প্রতিবেশী রাজ্য হিমাচলেও এরকম দুর্যোগ ঘটে।

মান্ডি শহরে বন্যার জল প্রাচীন পঞ্চবক্রতা মন্দিরের সিঁড়ি ছুঁয়ে ফেলেছে।
শেষ আপডেট: 6 August 2025 11:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরাখণ্ডের পর এবার হিমাচল প্রদেশেও হড়পা বানে বিধ্বস্ত কিন্নৌর জেলা। কিন্নৌর জেলার নিগুলসারির কাছে ৩৫ নম্বর জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অতি ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসে একাধিক এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। উত্তরাখণ্ডের ধারালিতে মঙ্গলবার এক ব্যাপক হড়পা বানে বহু মৃত্যুর খবরের সঙ্গেই প্রতিবেশী রাজ্য হিমাচলেও এরকম দুর্যোগ ঘটে।
কিন্নৌরের টাঙ্গলিগ নালার উপর একটি সাঁকো সম্পূর্ণভাবে ধুয়ে গিয়েছে। শিমলায় চাক্কি মোড়ে ধস নেমে চণ্ডীগড়-শিমলা জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে। ফলে রাজ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী ট্রাক ও অন্যান্য গাড়ি আটকে রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, হিমালয় পার্বত্য এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টি অনবরত চলছে। যার জেরে ধস নেমে এবং হড়পা বানে বহু এলাকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, কোনও কোনও জায়গায় ঘণ্টায় ১০০ মিমি বৃষ্টি চলছে। সেই সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের ফলে মেঘভাঙা বৃষ্টির সঞ্চার হচ্ছে।
মান্ডি শহরে বন্যার জল প্রাচীন পঞ্চবক্রতা মন্দিরের সিঁড়ি ছুঁয়ে ফেলেছে। সুকেতি নদীর জল উপচে মান্ডির অধিকাংশ ঘরে ঢুকে পড়েছে এবং বেশ কিছু হাইওয়ে এখন জলের তলায়। অতিবৃষ্টিতে সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে রয়েছে কঙ্গনা রনৌতের লোকসভা কেন্দ্র মান্ডি। কিন্নৌরে আরও ধস ও হড়পা বানের আশঙ্কায় বুধবার কিন্নৌর-কৈলাশ যাত্রা আপাতত বন্ধ রেখেছে প্রশাসন।
শয়ে শয়ে পুণ্যার্থী রাস্তা ও হাইওয়ের ধারে অপেক্ষায় রয়েছেন। পুণ্যার্থীদের ঘুরপথে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। টাঙ্গলিপ্পি ও কাঙ্গরঙ্গ ঝরনার উপর থাকা ছোট সেতু জলের তোড়ে ভেসে যাওয়ায় আসা-যাওয়ার দুই মুখই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আগামী ১২ ঘণ্টা ধরে প্রবল তোড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়ার দফতর।