সারা দেশে রেলের ১৬টি জোনের ৯৬টি বাছাই করা ট্রেনের ২৪২৬ জন যাত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন সিএজির অডিটরেরা।

ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
শেষ আপডেট: 25 August 2025 09:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জল নেই। অপরিষ্কার শৌচাগার। চারপাশে গন্ধময় পরিবেশ।
দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রীদের এমন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (সিএজি) রিপোর্ট। সংসদে পেশ হওয়া রিপোর্টে দূরপাল্লার ট্রেনে রেলের আতিথেয়তার মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ভারত সরকারের এই সংস্থা। যারা সরকারি অর্থের খরচখরচা নিরীক্ষণ করে রিপোর্ট দিয়ে থাকে।
তাদের সেই কাজের একটি বিচার্য হল বরাদ্দ অর্থের বিনিময়ে প্রাপ্তি কতটা তা যাচাই করে দেখা। বিগত কয়েকটি বাজেটে রেলমন্ত্রক পরিচ্ছন্নতার মান ভাল করতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে। সেই কারণে সিএজি তাদের সর্বশেষ সমীক্ষায় পরিচ্ছন্নতার মান পর্যালোচনা করার উপর জোর দিয়েছিল। সেখানে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের সুফল তাদের নজরে আসেনি।
সারা দেশে রেলের ১৬টি জোনের ৯৬টি বাছাই করা ট্রেনের ২৪২৬ জন যাত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন সিএজির অডিটরেরা। তাতেই উঠে এসেছে, শৌচাগারের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ৪০ শতাংশ যাত্রী অসন্তুষ্ট। তাঁরা বলেছেন, প্রায়ই শৌচাগারে জল থাকে না। এত অপরিষ্কার হয়ে থাকে যে ব্যবহারের অযোগ্য।
যাত্রীরা রেলের খাবার-সহ অন্যান্য পরিষেবা নিয়েও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। এই ব্যাপারে ৫০ শতাংশ যাত্রী রেলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন।
রিপোর্টে রেলের প্রশংসাও করেছে সিএজি। তারা বলেছে, শৌচাগার নিয়ে অভিযোগের ৮৯ শতাংশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। সেই সঙ্গে তারা বলেছে, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় পর্যাপ্ত কর্মীর অভাব আছে। অভাব আছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও যন্ত্রপাতির। বলা হয়েছে, এসি কামরায় বায়ো টয়লেট ঠিকঠাক কাজ করলেও নন-এসি কোচে মান খারাপ। সিএজি বলেছে, ইস্ট কোস্ট, ওয়েস্টার্ন ও ইস্টার্ন রেলের পরিষেবার মান তুলনায় বেশি খারাপ বলে যাত্রীদের অভিমত।