
দাউদাউ করে জ্বলছে বাইক।
শেষ আপডেট: 26 February 2025 17:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগে শিবরাত্রি উপলক্ষে পাড়া সাজানোকে কেন্দ্র করে তুলকালাম। পতাকা টাঙানো ও মাইক বাঁধাকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ঝামেলায় পাথর ছোড়াছুড়ি থেকে মারামারির সূত্রপাত। শহরের হিন্দুস্তান চকের এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গন্ডগোলের জেরে বেশ কয়েকটি দোকান ও গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বহু মানুষ জখম হওয়ায় তাঁদের হাজারিবাগ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণে জানা গিয়েছে, মহা শিবরাত্রি উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই শহরে ছিল সাজসাজ রব। হিন্দুস্তান চক এলাকায় একদল লোক শিবের ছবি আঁকা, ত্রিশূলের ছবিওয়ালা ফেস্টুন, পতাকা টাঙাচ্ছিল। এছাড়াও ভজন-কীর্তন ও ডিজে চালানোর উদ্দেশ্যে মাইক বাঁধা হচ্ছিল। যে এলাকায় এটা হচ্ছিল সেই এলাকার কাছাকাছি ভিন্ন সম্প্রদায়ের কয়েকজনের সঙ্গে প্রথমে বচসা বাধে। সেই থেকে দলে দলে লোক এসে পড়লে তুমুল ঝামেলা শুরু হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হাজারিবাগের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ন্যান্সি সহায় জানান, পদস্থ অফিসারদের ওখানে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
झारखंड हजारीबाग में शिवरात्रि के पर्व पर दो गुटों में बवाल, कई वाहनों को किया आग के हवाले, कई थानों की फ़ोर्स हजारीबाग के लिए हुई रवाना#Hazaribagh #Mahashivratri2025 pic.twitter.com/8FoEVippQ3
— Arjun Chaudharyy5 (@Arjunpchaudhary) February 26, 2025
এই ঘটনার নিন্দা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাঁচির বিজেপি এমপি সঞ্জয় শেঠ বলেন, সরস্বতী পুজো, রামনবমী, হোলিতে গন্ডগোল পাকানো ঝাড়খণ্ডের সাধারণ ব্যাপার হয়ে গিয়েছে। তাঁর দাবি, এসব বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ঘটাচ্ছে। শেঠ বলেন, শান্তি বিঘ্ন করতে চায় ওরা কারা? দেশের কোথাও পুজোপার্বণ উপলক্ষে এত হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে না। কিন্তু ঝাড়খণ্ডে প্রতিটি পুজোয় গন্ডগোল পাকানো হয়। কেন? কারণ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা এই রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলা, আইন এবং ধর্মীয় চরিত্রই বদলে দিতে চায়।