এই ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে এবং স্কুলের নিরাপত্তা ও নজরদারি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 19 February 2026 14:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছত্তীসগড়ের (Chhattisgarh) ধামতরী জেলার এক গ্রামে রহস্যজনক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মোট ৩৫ জন পড়ুয়া স্কুল চত্বরেই ব্লেড দিয়ে নিজেদের হাত কেটেছে। একজনকে দেখে আরেকজন নকল করতে গিয়েই এই প্রবণতা ছড়ায় বলে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে (Chhattisgarh students self harm imitation)। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা, এখনও পর্যন্ত তার কোনও স্পষ্ট কারণ সামনে আসেনি।
এই ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে এবং স্কুলের নিরাপত্তা ও নজরদারি (school students safety and security) নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
সূত্রের খবর, ক্লাস ৬ থেকে ৮-এর ২১ জন ছেলে ও ১৪ জন মেয়ে এই কাজ করেছে। জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস ধরে এই অস্বাভাবিক প্রবণতা চলছিল, কিন্তু তা নজরে আসেনি, যা স্কুল কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ধামতরী জেলার কুরুদ ব্লকের দাহদাহা গ্রামে। ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে, যখন অভিভাবকরা পড়ুয়াদের হাতে কাটা দাগ দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়।
অভিভাবকদের অভিযোগ, কীভাবে স্কুলের ভেতরে পড়ুয়াদের হাতে ব্লেড পৌঁছাল এবং কেন এতদিন ধরে শিক্ষকেরা এই দৃশ্যমান আঘাত লক্ষ্য করলেন না, তার উত্তর নেই। পাশাপাশি, এলাকায় বাড়তে থাকা নেশার প্রভাব বা বাইরের কোনও প্ররোচনার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, এখন থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। তবে এতদিন ধরে বিষয়টি ধরা না পড়ায় সমালোচনা আরও তীব্র হয়েছে। সরকারি স্কুলে নজরদারি ব্যবস্থা এবং পড়ুয়াদের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে, সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট নাভ সিং জানিয়েছেন, পড়ুয়াদের হাতে যে কাটা দাগ রয়েছে তা খুব একটা গভীর নয়, উপরিভাগেই সীমাবদ্ধ। এই ঘটনার সঙ্গে কোনও ‘গেমিং চ্যালেঞ্জ’ বা নেশার যোগ মেলেনি। ১৩ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি জানার পরই পড়ুয়াদের কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয় এবং অভিভাবকদের মোবাইলও পরীক্ষা করা হয়েছে।